ওঙ্কার ডেস্ক: নিজের বাবার হাতে খুন হয়েছেন হরিয়ানার রাজ্যস্তরের ২৫ বছর বয়সি টেনিস খেলোয়াড় রাধিকা যাদব। এই খুনের পর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন রাধিকার কাকা কুলদীপ যাদব। গোটা ঘটনার বর্ণনা দিয়েছেন তিনি। কুলদীপ জানান বৃহস্পতিবার বিকট শব্দ শুনতে পান, এর পরেই দোতলায় উঠে দেখেন রান্নাঘরে মেঝেতে পড়ে রয়েছে রাধিকার নিথর দেহ।
ঠিক কী বলেছেন কুলদীপ? পুলিশের কাছে দেওয়া জবানবন্দিতে কুলদীপ জানিয়েছেন, ‘বিকট শব্দ শুনে প্রথমে ভেবেছিলাম প্রেসার কুকার ফেটেছে। তড়িঘড়ি আমি দোতলায় উঠে দেখি রান্নাঘরে পড়ে রয়েছে আমার ভাইঝি রাধিকার নিথর দেহ। আমার ছেলে পীযূষও ছুটে আসে। আমরা দু’জনে মিলে রাধিকাকে দ্রুত তুলে নিয়ে হাসপাতালে যাই। কিন্তু চিকিৎসকেরা জানান, অনেক আগেই মৃত্যু হয়েছে তাঁর।’ তিনি আরও জানান, দোতলায় তাঁর দাদা, ভাইঝি এবং বৌদি মঞ্জু যাদব থাকতেন। আর এক তলায় কুলদীপরা থাকতেন। কুলদীপ বলেন, ‘আমার দাদা দীপক যাদবের কাছে একটি লাইসেন্সপ্রাপ্ত বন্দুক ছিল। আমি উপরে গিয়ে ঘটনাস্থলে সেটা পড়ে থাকতে দেখি। বুঝতে পারি আমার দাদাই রাধিকাকে গুলি করে খুন করেছেন।’
কিন্তু নিজের মেয়েকে কেন খুন করলেন দীপক? পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সম্প্রতি রাধিকা শিশুদের প্রশিক্ষণের জন্য একটি টেনিস অ্যাকাডেমি খোলার পরিকল্পনা করে ছিলেন। সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী নিজের এলাকাতেই টেনিস প্রশিক্ষণ কেন্দ্র চালু করেন তিনি। রাধিকার আয়ে সংসার চলত। তাই বিষয়টি নিয়ে প্রতিবেশীরা দীপককে কথা শোনাত। আর সে কারণে অ্যাকডেমি বন্ধ করার জন্য মেয়েকে চাপ দিতেন দীপক। কিন্তু রাধিকা বাবার কথা না শোনায় তাঁকে খুন করেন তিনি।
