ওঙ্কার ডেস্কঃ রাম মন্দিরে চুরির খবর অনেক আগেই জেনে গিয়েছিল মন্দির পরিচালনার ট্রাস্ট। এমনকী ওই চুরির ঘটনা চেপে দেওয়ারও চেষ্টা হয়েছিল। সম্প্রতি প্রকাশ্যে এসেছে ট্রাস্টের প্রধান চম্পত রাইয়ের ইস্তফার চিঠি। সেই চিঠিতেই এই বিস্ফোরক দাবি করা হয়েছে।
সূত্রের খবর, রাম মন্দিরে চুরি ইস্যুতে ইতিমধ্যেই পদত্যাগ করেছেন চম্পত রাই। পুলিশ এফআইআর দায়ের করার দু’দিন আগে চম্পত রাই ট্রাস্টকে একটি চিঠি লেখেন। সেই চিঠিতে তিনি দাবি করেন, চুরির ঘটনা প্রকাশ্যে আসার অনেক আগেই ট্রাস্ট সেটা জানত। ৪ জুন রাতেই ট্রাস্টিরা এই চুরির কথা জানতে পারেন। অভিযোগ ওঠে জনা কয়েক যুবক রাম মন্দিরের টাকা গণনার ক্ষেত্রে নয়ছয় করছে। পরদিন সকালেই সিসিটিভ ফুটেজ পরীক্ষা করে কয়েকজনকে শনাক্ত করা হয়। তাঁদের চাপ দিয়ে টাকা ফেরতও নেওয়া হয়। ৮ জুনের মধ্যে অভিযুক্তরা টাকা ফেরতও দিয়ে দেয়।
প্রশ্ন উঠছে, সেসময় ট্রাস্ট কেন টাকা চুরির কথা পুলিশকে জানাল না? সূত্রের খবর, চম্পত রাই চিঠিতে জানান, শুরুর দিকে পুলিশে অভিযোগের কথা ভাবা হয়নি। কিন্তু পরে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর ট্রাস্ট নিরপেক্ষ তদন্তের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে। ট্রাস্টের তরফেই উত্তরপ্রদেশ সরকারকে চিঠি লিখে বিষয়টির তদন্ত করার আর্জি জানানো হয়।
অনুদান চুরির তদন্ত করতে সিট (এসআইটি) গঠন করেছে উত্তরপ্রদেশ সরকার। ওই তদন্ত কমিটিকে আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে রিপোর্ট দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত মন্তব্য বলেছেন, “তদন্তের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ করা হবে। আমরা ঘটনাটির গুণগত তদন্ত করছি।”