ওঙ্কার ডেস্ক: সল্টলেকে এক বাড়ি থেকে দম্পত্তির দেহ উদ্ধার ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়ায়। বাড়ি ঢুকেই বেডরুম থেকে ৬৪ বছরের সজল কুমার কুণ্ডু এবং ৬১ বছরের তাঁর স্ত্রী রঞ্জনা কুণ্ডুর দেহ উদ্ধার করে তাঁদের ছেলে। পুলিশকে খবর দেওয়া মাত্রই এসে দেহ উদ্ধার করে নিয়ে যায়। প্রথমিক তদন্তে পরিবার পুলিশকে জানায় দম্পত্তি দীর্ঘ দিন ধরেই অবসাদে ভুগছিলেন। জানা গিয়েছে বিষক্রিয়ায় মৃত্যু হয়েছে তঁদের। প্রথমিক তদন্তে আত্মহত্যা মনে হলেও খুনের দিকটিও খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, সল্টলেকে একই বাড়িতে সজলও রঞ্জনা তাঁদের ছেলে ও পুত্রবধুর সঙ্গে থাকতেন। দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে মারণরগ ক্যান্সারে ভুগছিলেন রঞ্জনা। বার্ধক্য জনিত কারণে প্রায় অসুস্থ থাকতেন স্বামী সজলও। সেই কারণেই অবসাদে ভুগছিলেন দম্পত্তি। পরিবার আরও পুলিশকে জানায়, বুধবার এক আত্মীয়ের বাড়িতে যায় ছেলে ও পুত্রবধু। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান সেই সুযোগ কাজে লাগিয়েই খাবারের সঙ্গে বিষ মিশিয়ে খেয়েছেন ঐ দম্পত্তি।
ঘটনাটি সামনে আসে বৃহস্পতিবার সকালে। ছেলে একাধিকবার বাড়িতে ফোন করলেও কোন উত্তর না আসায় প্রতিবেশী দের খবর দেয়। পরে বিধাননগর থানায় অভিযোগ দায়ের হলে পুলিশ এসে ছেলে ও পুত্রবধুর উপস্থিতিতেই ঘর খুলে দম্পত্তির দেহ উদ্ধার করে। দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। প্রথমিক ভাবে মনে করা হচ্ছে দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ থাকার কারণে অবসাদের জেরে আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন দম্পত্তি। কিন্তু কোন সুইসাইড নোট বা আত্মহত্যার প্রমাণ মেলেনি। তাই পরিকল্পিত খুনের দিকটিও নজরে রেখেছে পুলিশ। আশেপাশের মানুষ জনদের সঙ্গে কথা বলেছে পুলিশ।