ত্বকের যত্নে ঘরোয়া উপাদান হিসেবে রাইস ওয়াটার বা চালের জল বেশ জনপ্রিয়। চাল জলে ভিজিয়ে বা সিদ্ধ করে যে জল পাওয়া যায়, সেটিই রাইস ওয়াটার। এতে চাল থেকে জলে দ্রবীভূত কিছু স্টার্চ ও অন্যান্য উপাদান থাকে। তবে এটি কোনো ম্যাজিক ট্রিটমেন্ট নয়—ত্বকের ধরন অনুযায়ী এর উপকারিতা ভিন্ন হতে পারে।
রাইস ওয়াটার টোনার তৈরির সহজ প্রণালী
প্রথমে ২ টেবিল চামচ পরিষ্কার চাল ভালোভাবে ধুয়ে নিন। এরপর ১ কাপ পরিষ্কার জলে চালটি ৩০ মিনিট থেকে ১ ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখুন। মাঝে মাঝে নাড়িয়ে দিলে চালের কিছু উপাদান জলে মিশবে। এবার পরিষ্কার ছাঁকনি দিয়ে জল ছেঁকে একটি পরিষ্কার কাচের বোতলে নিন। এটাই আপনার সাধারণ রাইস ওয়াটার টোনার।
ব্যবহারের আগে মুখ ভালোভাবে পরিষ্কার করে তুলা বা পরিষ্কার হাতের সাহায্যে অল্প পরিমাণ রাইস ওয়াটার মুখে লাগাতে পারেন। শুকিয়ে গেলে আপনার স্বাভাবিক ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন। ঘরে তৈরি হওয়ায় এটি দীর্ঘদিন রেখে ব্যবহার করা ঠিক নয়; পরিষ্কার, ঢাকনাযুক্ত পাত্রে ফ্রিজে রেখে অল্প সময়ের মধ্যে ব্যবহার করা ভালো।
ত্বকের ওপর কী কাজ করতে পারে?
রাইস ওয়াটারে থাকা স্টার্চ ত্বকে সাময়িকভাবে মসৃণ ও সতেজ অনুভূতি দিতে পারে। ব্যবহারের পর ত্বক কিছুটা নরম ও টানটান মনে হতে পারে। কিছু গবেষণায় চাল-ভিত্তিক উপাদানের ত্বকের ব্যারিয়ার ও প্রদাহের ওপর সম্ভাব্য উপকারী প্রভাবের কথা বলা হয়েছে।
এটিকে ত্বকের মূল চিকিৎসার পরিবর্তে একটি সাধারণ স্কিন-কেয়ার ধাপ হিসেবে দেখা ভালো। বিশেষ করে সংবেদনশীল ত্বক হলে আগে হাতে বা চোয়ালের পাশে অল্প পরিমাণে প্যাচ টেস্ট করে নিন। জ্বালা, চুলকানি, লালচে ভাব বা অস্বস্তি হলে ব্যবহার বন্ধ করুন।