
ওঙ্কার ডেস্ক : ‘রাম জন্মভূমি’ স্পেশাল ও লিমিটেড এডিশন ঘড়ি পরে বিতর্কে জড়ালেন সলমন খান। রাজভির মতে, এই ঘড়ির উদ্দেশ্য অযোধ্যার রামমন্দিরকে প্রচারে তুলে ধরা। যা ইসলাম বিরোধী অর্থাৎ ‘হারাম’। তাঁর নতুন ছবি ‘সিকান্দর’-এর প্রচারে সলমনকে এই ঘড়ি পরে থাকতে দেখা গিয়েছে। যার দাম ৩৪ লক্ষ টাকা। তা দেখে তোলপাড় শুরু হয়েছে মুসলিমদের মধ্যে। সোনালি ডায়ালের কমলা রঙের স্ট্র্যাপ দেওয়া ঘড়ি হাতে বেঁধে তার ছবি তিনি নিজেই ইনস্টাগ্রামে সিনেমার একটি প্রমোশনাল ইমেজ পোস্ট করেছেন, যা সকলের বেশ নজর কেড়েছে। এর আগে এই একই ঘড়ি পরতে দেখা গিয়েছিল অভিষেক বচ্চনকে। বিশ্বজুড়ে মাত্র ৪৯টি এরকম ঘড়ি রয়েছে। যার একটি রয়েছে দাবাং অভিনেতার কবজিতে। ঘড়ির নটার ঘরে একটি ছোট্ট রামমন্দির করা আছে এবং ৩টের ঘরে রামচন্দ্র ও তাঁর পায়ের কাছে হনুমানের আকৃতি আঁকা রয়েছে। ৬টা ঘরে লেখা রয়েছে জয় শ্রীরাম।
এই ঘড়ি পরা অবস্থায় সলমনের পোস্ট নিয়ে বেজায় খচেছেন বরেলভি-পন্থী অল ইন্ডিয়া মুসলিম জামাত-এর সভাপতি মৌলানা শাহবুদ্দিন রাজভি। তিনি বলেছেন, “আমি সলমন খানকে বলছি তিনি এমন কোনও কাজ যেন না করেন, যা মুসলিমদের করণীয় নয়”। শুধু তাই নয় তিনি বলিউড নায়কের কাছে আর্জি জানিয়েছেন, “তিনি যেন শরিয়ত মেনে চলেন। রাম এডিশনের এই ঘড়ি পরে তিনি শরিয়তি আইন লঙ্ঘন করেছেন বলে জানিয়েছেন রাজভি। কারণ এই ঘড়ি রামমন্দিরের প্রচার করে। এ ধরনের ঘড়ি পরা কোনও মুসলিমের কাছে বেআইনি ও হারাম”।
রাজভি আরও বলেছেন, সলমন খান একজন জনপ্রিয় অভিনেতা। তিনি অসংখ্য মুসলিম ভাইয়ের আদর্শ। নিজেও একজন মুসলিম। তাই তিনি যেন ইসলামে সিদ্ধ নয়, এমন কোনও কাজ করা থেকে বিরত থাকেন। যদি কোনও মুসলিম, তা সে সলমন খানও যদি হন, তিনি রামমন্দিরের গুণগান গাইলে কিংবা অন্য কোনও ধরনের অ-মুসলিম আচরণ করলে তা অবৈধ ও হারাম বলে গণ্য হবে। তাই রাজভির অনুরোধ, “তিনি যেন শরিয়তের আদর্শ মেনে চলেন”।