ওঙ্কার ডেস্ক : প্রখ্যাত চিত্র পরিচালক সত্যজিৎ রায়ের ময়মনসিংহের পৈত্রিক ভিটে ভেঙে ফেলা হচ্ছে বাংলাদেশে। যে খবর প্রকাশ্যে আসার পর সাহিত্য জগত ও এপার বাংলার রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরা সরব হয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে অবশেষে বিবৃতি দিল ভারত সরকার। ইউনুস সরকারের উদ্দেশ্যে নয়াদিল্লির তরফে জানানো হয়েছে, ঐতিহ্য বিজড়িত বাড়িটি রক্ষা করতে ভারত সরকার প্রয়োজনে সাহায্য করতে প্রস্তুত।
ভারতের বিদেশ মন্ত্রক একটি বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে, ‘উপেন্দ্রকিশোরের বাড়িটি শুধু একটি স্থাপত্য নয়, এটি ভারত ও বাংলাদেশের মিলিত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের প্রতীক। এই বাড়িকে সাহিত্য-স্মারক হিসেবে সংরক্ষণের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা উচিত। প্রয়োজনে ভারত সরকার সহযোগিতা করতে প্রস্তুত।’
উল্লেখ্য, বাংলাদেশের ময়মনসিংহ শহরের হরিকিশোর রায় রোডের বাংলাদেশ শিশু অ্যাকাডেমির বাড়িটি দেড় শতাধিক বছর পুরনো। বাড়ির মালিক প্রয়াত জমিদার হরিকিশোর রায়। তিনি ছিলেন উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরীর পালক পিতা। সত্যজিৎ রায়ের ঠাকুরদা ছিলেন উপেন্দ্রকিশোর। উপেন্দ্রকিশোর দীর্ঘদিন ওই বাড়িতে থেকেছেন। বাড়িটি ভেঙে ফেলার খবর প্রকাশ্যে আসার পর বিষয়টিকে ‘হৃদয়বিদারক’ বলে বর্ণনা করেছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সমাজ মাধ্যমে তিনি লিখেছেন, ‘বাংলাদেশের ময়মনসিংহে সত্যজিৎ রায়ের ঠাকুরদার বাড়ি ভাঙা হচ্ছে। স্মৃতিবিজড়িত এই বাড়ির ধ্বংসের খবর খুবই দুঃখজনক। রায় পরিবার বাংলা সংস্কৃতির অন্যতম প্রধান ধারক ও বাহক।’ প্রসঙ্গত, ঐতিহ্য বিজড়িত প্রাচীন বাড়িটি বাংলাদেশ শিশু অ্যাকাডেমি নিজেদের অগিস হিসেবে ব্যবহার করত। শিশু অ্যাকাডেমিই বাড়িটি ভেঙে বহুতল তৈরির সিদ্ধান্ত নেয় বলে জানা গিয়েছে।
