ওঙ্কার ডেস্ক: সম্প্রতি উত্তর ২৪ পরগনার বাগদার এক সভায় শান্তনু ঠাকুর মন্তব্য করেছিলেন, এসআইআরে যদি কোনও মতুয়ার নাম বাদ যায়, তাতে কোনও অসুবিধা নেই। ঠাকুরবাড়ির সদস্যের এই মন্তব্য ঘিরে তৈরি হয় জল্পনা, বিতর্ক। এই বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ দানা বাঁধতে থাকে মতুয়াবাড়িতে। বুধবার এই মন্তব্য ঘিরে উত্তপ্ত হল ঠাকুরনগর। মতুয়াদের দুই গোষ্ঠীর মধ্যেই চলল মারপিট, হাতাহাতি।
বুধবার ঠাকুরবাড়ির অন্যতম সদস্য মমতাবালা ঠাকুরের অনুগামীরা শান্তনু ঠাকুরের মন্তব্যের বিরোধিতা করে মিছিল বের করে। সেই মিছিল থেকে শান্তনুর কাছে জবাব চাওয়া হয়। কেন তিনি ওই মন্তব্য করেন, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়। অভিযোগ, মমতাবালার লোকজন শান্তনু ঠাকুরের বাড়ির কাছে আসতেই সেই প্রতিবাদকারীদের উপর চড়াও হন শান্তনুর লোকজন। যদিও এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন শান্তনু ঠাকুরপন্থীরা। তাঁদের দাবি, মমতাবালার অনুগামীরা আগে তাঁদের ওপর চড়াও হন। অভিযোগ করেন, তাঁদেরকে মাটিতে ফেলে মারধর করা হয়। দুই পক্ষের অভিযোগ এবং পাল্টা অভিযোগ ঘিরে বুধবার উত্তপ্ত হল ঠাকুরনগরের মতুয়াগড়।
ঠিক কী বলেছিলেন শান্তনু? বাগদার সভায় শান্তনু বলেছিলেন, ‘স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন (এসআইআর) আমাদের কোনও সমস্যা নয়। মোদী সরকারকে সহযোগিতা করার জন্য আমাদের যদি এসআইআরের সমস্যা পোহাতে হয়, তা সহ্য করব।’ তাঁর আরও সংযোজন, ‘৫০ লক্ষ রোহিঙ্গা, বাংলাদেশি মুসলিম, পাকিস্তানি মুসলিমকে বাদ দিতে যদি আমার সম্প্রদায়ের এক লক্ষ মানুষকে ভোটদান থেকে বিরত থাকতে হয় তাতে কোনটা লাভ?’
