ওঙ্কার ডেস্ক: এসআইআর-পরবর্তী আপিলের সংখ্যা পাহাড় সমান। মুর্শিদাবাদে সেই বিপুল মামলার চাপ সামলাতে হচ্ছে এক অবসরপ্রাপ্ত বিচারককে। এখনও প্রায় ৫ লক্ষের বেশি আপিল তাঁর নিষ্পত্তির অপেক্ষায়।
মুর্শিদাবাদে এসআইআর-এর সময় ভোটার তালিকায় নাম রাখা বা বাদ পড়া নিয়ে আপিল শুনছেন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি ইন্দ্রজিৎ চট্টোপাধ্যায়। তিনি ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালের একটির দায়িত্বে রয়েছেন।
সম্প্রতি কলকাতা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতিকে চিঠি দিয়েছেন বিচারপতি চট্টোপাধ্যায়। ট্রাইব্যুনালের দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর ইচ্ছার কথা জানিয়েছেন তিনি। দীর্ঘ যাতায়াতকেই এর অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। সল্টলেকে নিজের বাড়ি থেকে জোকার শুনানি কেন্দ্রে যেতে হয় তাঁকে। দুই জায়গার দূরত্ব প্রায় ২৭ কিলোমিটার। রাস্তার বেহাল দশার কারণে যাতায়াত আরও কঠিন হয়ে উঠেছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
বিচারপতি চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, দিনে সর্বোচ্চ প্রায় ১০টি আপিলের শুনানি করতে পারেন তিনি। এই গতিতে বাকি প্রায় ৫ লক্ষ মামলা নিষ্পত্তি করতে প্রায় ১৪৫ বছর সময় লাগতে পারে। এমনকি বছরের প্রতিটি দিন কাজ করলেও সময় এতটাই লাগবে। এখনও পর্যন্ত ৪২৫টি আপিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। এর মধ্যে ৩৫০ জনের নাম ফের ভোটার তালিকায় যুক্ত হয়েছে। বাকি ৭৫ জনের নাম বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।অর্থাৎ তাঁর নিষ্পত্তি করা মামলাগুলির প্রায় ৮২.৩৫ শতাংশ ক্ষেত্রেই আবেদনকারীরা প্রকৃত ভোটার হিসেবে বিবেচিত হয়েছেন।