নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা : ৯ ডিসেম্বর বাংলা একতা মঞ্চের তরফে কলকাতা প্রেস ক্লাবে একটি প্রেস কনফারেন্স আয়োজন করা হয়েছিল যার মূল বিষয়বস্তু হিসেবে তুলে ধরা হয়েছিল এসআইআর-এর প্রভাবে বাংলার প্রান্তিক মানুষের অভিজ্ঞতা এবং তাঁরা কি কি অসুবিধা সম্মুখীন হচ্ছেন।
এদিন বাংলা একতা মঞ্চের তরফ থেকে উপস্থিত ছিলেন এই মঞ্চে অন্যতম বিশিষ্ট বক্তা তন্ময় ঘোষ, অনির্বাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, সংঘমিত্রা বন্দ্যোপাধ্যায়, মারুফ হোসেন সহ বাংলা চলচ্চিত্র ও সঙ্গীত জগতের বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব অভিনেতা পরম ব্রত চট্টোপাধ্যায়। এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিশিষ্টদের মধ্যে ছিলেন সংগীত পরিচালক ইন্দ্রদীপ দাশগুপ্ত সহ, দেবাংশী বিশ্বাস এবং সান চৌধুরী যারা বাংলার ট্রান্সজেন্ডার বা রূপান্তর গামী দের প্রতিনিধিত্ব করছেন।
এদিন এই প্রসঙ্গে বাংলা একতা মঞ্চে অন্যতম বক্তা তন্ময় ঘোষ জানান, “নির্বাচন কমিশনের এটা ভেবে দেখা দরকার যে সমাজে একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যক্তি প্রতি রাষ্ট্রব্যবস্থার যতটা দায়িত্বশীল হওয়া উচিত ঠিক ততটাই সমাজে পিছিয়ে পড়া বিশেষ করে যারা রূপান্তরগামী, যৌনকর্মী, গৃহহীনরা রয়েছেন তাঁদের প্রতিও সমান দায়িত্বশীল হওয়া উচিত, যাতে তাঁরা কোনভাবে আইডেন্টিটি ক্রাইসিস না ভোগেন।”
এদিন মঞ্চে দাঁড়িয়ে বাংলা চলচ্চিত্র জগতে অন্যতম অভিনেতা পরম ব্রত চট্টোপাধ্যায় জানান যে এই মঞ্চে তিনি শুধুমাত্র সমাজে পিছিয়ে পড়া মানুষদের সমর্থনে এবং তাঁদের হয়ে কথা বলতে এসেছেন কোন রকম রাজনৈতিক মতাদর্শ ছাড়াই। রূপান্তরকামীদের মধ্যে অন্যতম দেবাংশী বিশ্বাস বলেন যে তাঁরা আগে একজন ভিন্ন লিঙ্গের মানুষ ছিলেন এবং পরবর্তীকালে রূপান্তরকামী হিসেবে অন্য লিঙ্গের মানুষের পরিণত হয়েছেন। কিন্তু তাঁদের এই পরিচয় পরিবর্তনের ব্যাপারটা যদি নির্বাচন কমিশন বা কেন্দ্রীয় সরকার এস আই আর এর ক্ষেত্রে কোন বিকল্প প্রক্রিয়ায় পথ খোলা রাখতেন তাহলে তাঁরা আজ এই পরিচয়হীনতায় ভুগতেন না।
