স্পোর্টস ডেস্ক : দিওয়ালির মাঝে মোহনবাগানে দিওয়ালি। সমর্থকদের এএফসি খেলতে না যাওয়ার আক্ষেপ আইএফএ শিল্ড ডার্বি ফাইনাল জিতে ভুলিয়ে দিলো টিম মোলিনা। ট্রাইবেকারে ম্যাচের ৫-৪ গোলে জিতে ১২৫ তম আইএফএ শিল্ড জিতে নিল মোহনবাগান। গ্যালারিতে বাজি,আতসবাজি, উড়লো পতাকা। প্রথম মিনিটের শুরু থেকেই নিজেদের দাপট বজায় রেখে গোলমুখী আক্রমণ শুরু করেন ইস্টবেঙ্গল। ৪ মিনিটে বাঁ দিক থেকে বিপিন ঢুকতে থাকে কিন্তু বক্সে পৌঁছে পা জালে আটকে যান। এর পরের মিনিটেই লিস্টন ঝড়ে গতিতে ইস্টবেঙ্গলের গোলমুখে এগিয়ে আসতে থাকে। তবে লাল-হলুদের রক্ষণভাগের ফুটবলারকে কাছে আটকে দেন।
- ৯ মিনিটে গোলের সুযোগ এসেছিল ইস্টবেঙ্গলের সামনে, কিন্তু অফ সাইডের ফাঁদে পড়েন মরোক্কন ফুটবলার হামিদ।
- ৩১ মিনিটে বক্সের মধ্যে ম্যাকলারেনকে ফাউল করে বাগানকে করে বসেন আনোয়ার আলি। পেনাল্টির নির্দেশ দেন রেফারি।
- ৩৩ মিনিটে পেনাল্টি মিস করে দলকে হতাশ করেন জেসন কামিংস। পেনাল্টি নিলেও বল চলে যায় বক্সের ওপর দিয়ে।
- ৩৬ মিনিটে বড় অঘটন ঘটিয়ে দেন লাল-হলুদের সেই গুরুত্বপূর্ণ স্ট্রাইকার হামিদ আহাদাদ। বক্সের ভিতরে বিপিনের এক্স থেকে মহেশ। সেখান থেকে বল বাড়ান হামিদের উদ্দেশে। তাঁর ছোঁয়ায় বল জড়ায় জালে।
- ৪২ মিনিটে দলের ব্যবধানের সঙ্গে জোড়া গোলের হাতছানি ছিল হামিদের সামনে। বক্সের বাইরে থেকে তার নেওয়া দুরন্ত শট মোহনবাগানের ডান পোস্টে লেগে ফিরে আসে।
কিন্তু প্রথমার্ধের অতিরিক্ত সময়ের শেষ মিনিটে আপুইয়ার নাটকীয় গোলে সমতায় ফেরে মোহন বাগান । ইস্টবেঙ্গলের বক্সের ভিতর থেকে আপুইয়ার নেওয়া দুরন্ত শট ক্রসবারে লেগে নীচে গোললাইন টপকে ফিরে আসে। সঙ্গে সঙ্গে লাইস ম্যান পতাকা তুলে গোল দেখাতে থাকেন। রেফারি বাগানের উদ্দেশে গোল হয়েছে বলে দেখান। ৫৪ মিনিটে সুযোগ তৈরি করেছিল মোহনবাগান। সাহল একটি ক্রস বাড়ান লিস্টন কিন্তু গোল হয়নি। এরপর মোহনবাগান কামিন্স এর জায়গায় রবসনকে নামায়। আর ইস্টবেঙ্গল নামায় হামিদের জায়গায় হিরোশিকে। ম্যাচের শেষ বাঁশি বাজার কয়েক সেকেন্ড আগে মোহনবাগান একটা দারুণ আক্রমণ করে। রবসনের ফ্রি কিক থেকে বল পান মেহতাব সিং। তিনি হেড করেন, নিশ্চিত গোল বাঁচান গিল। খেলা গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। অতিরিক্ত সময়েও গোল না হওয়ায় ম্যাচ গড়ায় ট্রাইবেকারে আর ঢাক ঢোল পিটিয়ে গোয়া থেকে যে জয় গুপ্তকে আনে ইস্টবেঙ্গল তিনিই পেনাল্টি মিস করলেন। ২১ তম আইএফএ শিল্ড জয় বাগানের। তবে এদিন কিন্ত ডার্বিতে মাঠ ভরলো না যা আইএফএর অক্ষমতা তুলে ধরে।
