ওঙ্কার ডেস্ক: অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের ফাইনালে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে বৈভব সূর্যবংশীর ঝড়ো ইনিংসে বিস্মিত ক্রিকেট বিশ্ব। তার রেশ এখনও কাটেনি। ৮০ বলে ১৭৫ রান করে নজির গড়েছেন বৈভব। বিহারের এই ১৪ বছর বয়সী ক্রিকেটার অনুরাগীদের মনে একটি প্রশ্ন তুলে দিয়েছেন: এত ভাল পারফরম্যান্স করার পরেও তিনি সিনিয়র ভারতীয় দলে নেই কেন?
সিনিয়র ভারতীয় দলে সূর্যবংশীর খেলার পথে প্রধান বাধা হলো আইসিসির বয়স সংক্রান্ত নীতি। তরুণ খেলোয়াড়দের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য ২০২০ সালে আইসিসি একটি নিয়ম চালু করে। যাতে বলা হয়, আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলার জন্য একজন খেলোয়াড়কে কমপক্ষে ১৫ বছর বয়সী হতে হবে। রিপোর্ট অনুসারে, বৈভব ২৭ মার্চ ২০১১ সালে জন্মগ্রহণ করেন। ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এ তার ঐতিহাসিক বিশ্বকাপ জয়ের সময় পর্যন্ত, তিনি এখনও ১৪ বছর বয়সী।বিহারের এই বাঁহাতি ব্যাটার বাইশ গজে যতই ঝড় তুলুন না কেন, ২৭ মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত সিনিয়র জাতীয় নির্বাচকদের হাত কার্যত বাঁধা থাকবে। যদিও তিনি সিনিয়র দলের জন্য বয়সে খুব ছোট, এদিকে ভারতের অনূর্ধ্ব-১৯ দলের সঙ্গেও তাঁর যাত্রা শেষ। কারণ বিসিসিআই অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের জন্য একটি কঠোর নীতি চালু করেছে, যার লক্ষ্য হল ‘এক-টুর্নামেন্ট’ নিয়ম। অর্থাৎ বয়স অনুযায়ী পুরাতনদের না সুযোগ দিয়ে নতুনদের জায়গা দেওয়া। ২০২৬ সালে বিশেষ খেলোয়াড় হিসেবে উঠে এলেও ২০২৮ বা ২০৩০ সালের টুর্নামেন্টগুলিতে ফিরতে পারবেন না বৈভব। যদিও সেই সময়ও তিনি ১৯ বছরের কম বয়সী থাকবেন।
গত ১২ মাসে বৈভবের নজিরগুলির মধ্যে রয়েছে–
অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ ফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৮০ বলে ১৭৫ রান করে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত স্কোর করেন তিনি।
২০২৬ সালের আসরে ৩০টি ছক্কা মেরে টুর্নামেন্টের নতুন রেকর্ড গড়েন।
বিজয় হাজারে ট্রফিতে মাত্র ৫৯ বলে ১৫০ রান করে এবি ডি ভিলিয়ার্সের বিশ্ব রেকর্ড ভাঙেন।
রাজস্থান রয়্যালসের হয়ে ৩৫ বলে সেঞ্চুরি করে আইপিএলের ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ সেঞ্চুরিয়ান (১৪ বছর, ৩২ দিন) হন।
