ওঙ্কার ডেস্ক: সত্যজিৎ রায় ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউট (এসআরএফটিআই) এ সকাল থেকেই মৌনী প্রতিবাদে পড়ুয়াদের একাংশ। রবিবারের ঘটনার পর সোমবারও থমথমে রইল ক্যাম্পাস। এই পরিস্থিতিতে বিশেষ বৈঠকে বসল কর্তৃপক্ষ।
সূত্রের খবর, সোমবার সকাল সাড়ে ১১টা নাগাদ বৈঠক শুরু হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য সন্তোষ আজম। বিভিন্ন বিভাগের ডিন এবং শিক্ষকেরাও বৈঠকে যোগ দেন। এ দিন ক্যাম্পাসের পরিস্থিতি ছিল থমথমে। নিয়ম মেনে শিক্ষকেরা ক্লাস নিলেও পড়ুয়াদের উপস্থিতি ছিল তুলনামূলক ভাবে কম। রবিবারের ঘটনার সূত্রপাত এসআরএফটিআইয়ের একটি প্রেক্ষাগৃহে আয়োজিত সভাকে ঘিরে। সভাটি আয়োজন করেছিল রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের শাখা সংগঠন অখিল ভারতীয় গ্রাহক পঞ্চায়েত বা এবিজিপি (পশ্চিমবঙ্গ প্রান্ত)।
এবিজিপির দাবি, কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়েই সভার আয়োজন করা হয়েছিল। সকাল ১০টা থেকে প্রেক্ষাগৃহে অনুষ্ঠান চলছিল বলে সংগঠনটির তরফে জানানো হয়েছে। এর কিছু পরেই ক্যাম্পাসে বহিরাগতদের প্রবেশ নিয়ে আপত্তি জানান পড়ুয়াদের একাংশ। তাঁরা প্রেক্ষাগৃহের সামনে গিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন।পড়ুয়াদের প্রশ্ন, একটি বেসরকারি সংগঠনকে কেন প্রতিষ্ঠানের ভিতরে সভা করার অনুমতি দেওয়া হল। বিষয়টি নিয়ে রেজিস্ট্রারের কাছেও জানতে চান তাঁরা।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরে অভিযোগ এবং পাল্টা অভিযোগের মধ্যে ঘটনাটি সংঘর্ষের রূপ নেয়। পড়ুয়া ও শিক্ষকদের উপর এবিজিপির সদস্যেরা হামলা চালিয়েছেন বলে অভিযোগ ওঠে। অন্য দিকে, এবিজিপির সদস্যদেরও মারধর করা হয়েছে বলে পাল্টা অভিযোগ করেছে সংগঠনটই।