ওঙ্কার ডেস্ক: সোনার চেনের জন্য সহকর্মী নার্সকে খুনের অভিযোগ। তামিলনাড়ুর ইরোড জেলায় মহিলা নার্সকে খুনের অভিযোগে ইতিমধ্যে গ্রেফতার হয়েছেন তাঁরই সহকর্মী। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃতের নাম সরবনন। বয়স ২৩ বছর।
অভিযোগ, নিহত নার্সের নাম উথিরা, বয়স ২৬ বছর। তাঁকে খুন করে সোনার চেন নিয়ে পালান অভিযুক্ত। পুলিশ জানিয়েছে, উদ্ধার হয়েছে চুরি যাওয়া গয়নাও। নিহত উথিরার বাড়ি রামানাথপুরম জেলায়। তিরুপুর জেলার পাল্লাগাউন্ডমপালায়ম এলাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে নার্স হিসেবে কাজ করতেন তিনি। গত ১৫ অক্টোবর থেকে তাঁর কোনও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। এরপর তাঁর স্বামী পুলিশের কাছে নিখোঁজ ডায়েরি করেন। দু’দিন পর, ১৭ অক্টোবর পেরুন্দুরাইয়ের বিজয়মঙ্গলম টোল গেটের কাছে উথিরার দেহ উদ্ধার হয়। ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ খুনের মামলা রুজু করে। তদন্তকারীদের সন্দেহ গিয়ে পড়ে তাঁর সহকর্মী সরবননের উপর। ইরোড জেলা পুলিশের বিবৃতি অনুযায়ী, গয়না হাতানোর উদ্দেশ্যেই উথিরাকে নিজের দু’চাকার গাড়িতে করে ঘটনাস্থলে নিয়ে যান অভিযুক্ত। সেখানে তাঁকে খুন করে সোনার চেনটি নিয়ে পালান। ১৯ অক্টোবর সরবননকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাঁকে আদালতে পেশ করা হলে বিচারক বিচারবিভাগীয় হেফাজতের নির্দেশ দেন। এই খুনের ঘটনা ঘিরে তামিলনাড়ুতে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা পুলিশ দফতরের দায়িত্বে থাকা সি জোসেফ বিজয়কে নিশানা করেছেন ডিএমকে সভাপতি এমকে স্ট্যালিন।
স্ট্যালিনের অভিযোগ, মুখ্যমন্ত্রী নামেই পুলিশ দফতরের দায়িত্ব সামলাচ্ছেন। অন্য কয়েকটি দফতরের দায়িত্ব যেমন তিনি অন্য মন্ত্রীদের হাতে তুলে দিয়েছেন, তেমনই কি পুলিশ বিভাগও অন্য কারও হাতে ছেড়ে দিয়েছেন? এই প্রশ্ন তুলেছেন ডিএমকে প্রধান। রাজ্যে একের পর এক হিংসার ঘটনা এবং কেন্দ্রীয় সংস্থার মাদক উদ্ধারের প্রসঙ্গ তুলে বিজয়ের প্রশাসনিক ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। স্ট্যালিনের বক্তব্য, মুখ্যমন্ত্রীর অবহেলার মূল্য দিতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে।