নিজস্ব সংবাদদাতা, বীরভূম : ছাত্রীর মৃত্যুকে ঘিরে উত্তাল বীরভূম জেলার রামপুরহাট। রামপুরহাট ২ নম্বর ব্লকের হাঁসন বিধানসভার অন্তর্গত মিল্কি ডাঙ্গা গ্রামের ঘটনা। অভিযোগ, ছাত্রীকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে পরে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালিয়েছেন স্কুলেরই এক প্যারা টিচার। শেষপর্যন্ত তাকে হত্যা করে দেহ ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে এমনই দাবি পরিবারের।
মৃতা ছাত্রী চাঁদপাড়া হাইস্কুলের একাদশ শ্রেণির ছাত্রী ছিলেন। পড়াশোনার সুবিধার জন্য সে রামপুরহাট শহরের একটি বাড়িতে অন্যান্য ছাত্রী সহ ভাড়া থাকতেন। অভিযুক্ত শিক্ষক মহম্মদ মোবারক , ঐ স্কুলেই প্যারা টিচার হিসাবে নিযুক্ত ছিলেন। পরিবারের অভিযোগ এটা খুন, আত্মহত্যা নয়।
মেয়ের মামা জানান, “ওর সঙ্গে প্রেমের নাটক করছিল মাস্টার। মেয়েটা ওকে পাত্তা দিত না। সেই কারণেই ওকে শাস্তি দিতে চেয়েছিল। এই মৃত্যু আত্মহত্যা নয়—সরাসরি খুন। আমরা চাই, এর বিচার হোক। ওর ফাঁসি হোক।”
ছাত্রীর বাবা রামপুরহাট থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন, যেখানে তিনি স্পষ্ট ভাবে উল্লেখ করেছেন যে শিক্ষক ইচ্ছাকৃতভাবে তাঁর মেয়েকে খুন করেছেন। তাঁর কথায়, “আমার মেয়ে পড়তে গিয়েছিল, ওকে ভালোবাসার নামে ফাঁদে ফেলে খুন করা হয়েছে। এই অপরাধের শাস্তি হওয়া উচিত ফাঁসি।”
