ওঙ্কার ডেস্ক: কমিশনকে লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির তালিকা প্রকাশের নির্দেশ দিল সুপ্রিমকোর্ট। পাশাপাশি শীর্ষ আদালতের নির্দেশ, সংশ্লিষ্ট তালিকা প্রকাশ্যে টাঙিয়ে রাখতে হবে। আর শুনানির সময় কারও কাছ থেকে নথি জমা নেওয়া হলে, তার স্বীকৃতি হিসেবে রসিদও দিতে হবে।
একাধিক বার বাংলার শাসক দল তথ্যগত অসঙ্গতি’র তালিকা প্রকাশের কথা বলেছিল। এবার সেই দাবিকে মান্যতা দিয়েছে শীর্ষ আদালত। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ সামনে আসতেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “আমি খুশি এবং আনন্দিত। সুপ্রিম কোর্ট তৃণমূলের দাবি মান্যতা দিয়ে বলেছে ‘তথ্যগত অসঙ্গতি’র তালিকা প্রকাশ করতে হবে। আর শুনানির সময় যে ডকুমেন্ট ভোটাররা জমা দিচ্ছে, তার রশিদও দিতে হবে। বিজেপির খেলা শেষ।”
সূত্রের খবর, কমিশনকে গ্রাম পঞ্চায়েত, ব্লক ও ওয়ার্ড অফিসে সংশ্লিষ্ট তালিকা প্রকাশ্যে টাঙিয়ে রাখতে হবে। প্রতিটি ব্লক অফিসে আলাদা কাউন্টার খুলতে হবে। যেখানে সাধারণ মানুষ নথি জমা দিতে পারবেন এবং আপত্তি জানাতে পারবেন, এমনটাই জানিয়েছে সুপ্রিমকোর্ট। এই প্রক্রিয়া চালাতে রাজ্য সরকারকে পর্যাপ্ত সংখ্যক কর্মী মোতায়েন করতে বলেছে সুপ্রিম কোর্ট।
পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ায় যাঁদের তথ্যগত অসঙ্গতি ধরা পড়েছে, সেই ৯৪ লক্ষ ৫০ হাজার ভোটারের কাছে নোটিশ পাঠাচ্ছে কমিশন।
লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি’ বা তথ্যগত অসঙ্গতির তালিকা প্রকাশ ঘিরে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর বক্তব্য, একই দিনে কী ভাবে কমিশন একসঙ্গে খসড়া ভোটার তালিকা এবং তথ্যগত অসঙ্গতির তালিকা প্রকাশ করতে পারে,সেই বিষয়টি নিয়েই তাঁর আপত্তি। অবশেষে এই বিষয়ে সুপ্রিমকোর্ট নির্দেশ দিল।
