ওঙ্কার ডেস্ক: নয়া বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার আগে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, পদ্ম শিবির ক্ষমতায় এলে দ্বিগুণ গতিতে রাজ্যে উন্নয়নের কাজ হবে। শুভেন্দু অধিকারী পশ্চিমবঙ্গের প্রশাসনিক প্রধানের পদে বসার ১০০ দিন অতিক্রান্ত হয়ে গিয়েছে। ডাবল ইঞ্জিন সরকারের কাজে আরও গতি বাড়ল প্রকৃত পক্ষে। মৎস্যশিল্প বিকাশের জন্য কেন্দ্রীয় প্রকল্পের ৯ কোটি টাকা পেল রাজ্য। সোমবার নিউটাউনের প্রাণিসম্পদ বিকাশ দফতরে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রাজীবরঞ্জন সিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই বৈঠক শেষে শুভেন্দু অধিকারী এই খবর জানান।
সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘রাজ্যের মৎস্যশিল্পে প্রচুর সম্ভাবনা। আমরা সেটা নিয়ে বারবার আলোচনা করেছি। কিন্তু আজ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রাজীবরঞ্জন সিংকে বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানাব। তিনি আমাদের সব কথা শুনে পশ্চিমবাংলার মৎস্য শিল্পে বিকাশের জন্য ৯ কোটি টাকা আমাদের হাতে তুলে দিয়েছেন। আজ থেকে প্রধানমন্ত্রী মৎস্য সম্পদ যোজনার আওতায় আনা হল আমাদের রাজ্যকে। এতে মৎস্যজীবীরা অন্যান্য সুবিধার পাশাপাশি প্রয়োজনমতো ঋণও পাবেন। আগেই কাজটা করা যেত। কিন্তু বিগত সরকার শুধুমাত্র বিরোধিতার জন্য সেটা করেনি। আমাদের সরকারের ৪ মাসে যতটা পেরেছি কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলির সুবিধা দিয়েছি রাজ্যবাসীকে।’
মুখ্যমন্ত্রীর আরও সংযোজন, ‘এ রাজ্যের উপকূল এলাকা আরও উন্নত করা হবে। সেসব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে বৈঠকে। আমাদের এখানে প্রচুর সম্ভাবনা রয়েছে। দক্ষিণবঙ্গে যেমন সমুদ্র, নদী রয়েছে, সেখানকার মৎস্যজীবীদের সমস্যা কম। কিন্তু শুষ্ক বাকুঁড়া, পুরুলিয়ায় মাছচাষে সমস্যা। আমাদের প্রস্তাব মেনে, এই জেলাগুলিতে মোট ৬টি অমৃত সরোবরে অনুমোদন দিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী।’ মন্ত্রী রাজীবরঞ্জন সিংও নতুন রাজ্য সরকারের প্রশংসা করতে গিয়ে বিগত তৃণমূল সরকারের সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, ‘গত বছরগুলিতে আমরা এখানে সুবিধা দিতে চেয়েও পারিনি। কারণ, রাজ্য সরকারের আধিকারিকরা সাহায্য করেননি। যে কাজ ৫ বছর ধরে আটকে ছিল, চার মাসেই তা হল।’