ওঙ্কার ডেস্কঃ পদ্মাপাড়ের উত্তাল পরিস্থিতি। হাদি মৃত্যুর পর থেকে একের পর এক ঘটনাপ্রবাহে জ্বলছে বাংলাদেশ। ময়মনসিংহে দীপু দাসের হত্যা নিয়ে সুর চড়ালেন পশ্চিমবঙ্গের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সংখ্যালঘু নির্যাতনের বিরুদ্ধে বাংলাদেশে কী পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে, তা না জানালে আন্দোলনের ডাক দিয়েছেন শুভেন্দু। বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক রদ করার কথাও জানিয়েছেন। যদিও এটা তার ব্যক্তিগত মত বলেই জানিয়েছেন তিনি।
মঙ্গলবার বিজেপির রাজ্য দফতরে সাংবাদিক বৈঠক করে শুভেন্দু জানান, “যত দিন না বাংলাদেশ উপদূতাবাস থেকে সদুত্তর পাওয়া যাচ্ছে, বাংলাদেশে দীপু দাসের হত্যাাকারীদের বিরুদ্ধে কী ব্যববস্থা নেওয়া হচ্ছে, হিন্দুদের নিরাপত্তার জন্যা কী ব্যরবস্থা নেওয়া হচ্ছে, এই বিষয়ে যতক্ষণ না স্পষ্ট করে আমাদের জানানো হচ্ছে, তত ক্ষণ আন্দোলন তীব্র থেকে তীব্রতর হবে”।
বাংলাদেশের সঙ্গে সব সম্পর্ক ছিন্ন করা উচিত বলে মনে করেন বিরোধী দলনেতা। এই বিষয়ে শুভেন্দু অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মাকেও সমর্থন জানান। কিছুদিন আগে আসামের মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে সব কূটনৈতিক সম্পর্ক শেষ করা উচিত। সেই প্রসঙ্গ টেনেই শুভেন্দু বলেন, ‘‘আমি হিমন্তকে সম্পূর্ণ সমর্থন করি। তিনি যদি এ কথা বলে থাকেন, তা হলে ঠিক বলেছেন। বাংলাদেশের পরিস্থিতি কী রকম, তা আমরা পাঁচটা রাজ্যন সবচেয়ে ভাল বুঝি, যারা বাংলাদেশ সীমান্তে আছি। বাংলাদেশকে এবার গুতো না দিলে ঠিক হবে না।
যদিও শুভেন্দুর বক্তব্যের পাল্টা দিয়েছে তৃণমূল। যে প্রধানমন্ত্রী সব সময় সব বিষয়ে অতি সক্রিয় থাকেন, তিনি বাংলাদেশের হিন্দু খুনে কেন কিছু বলছেন না? ইউনূসের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সমীকরণের কারণেই কি? আবার একদিকে প্রধানমন্ত্রী যখন এই পন্থা নিয়েছেন, তখন বাংলাতে বিষ উগরে দিচ্ছেন শুভেন্দু। কিন্তু এই শুভেন্দুই কিছু দিন আগে ইউনূস সরকারের প্রশংসা করেছিলেন। বলেছিলেন, পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচিত সরকারের থেকে তারা ভাল কাজ করছে। সব মিলিয়ে বাংলাদেশে দীপূ হত্যাকাণ্ডে সুর চড়িয়েছেন শুভেন্দু।
