ওঙ্কার ডেস্ক: হরিয়ানার গুরুগ্রামের ২৫ বছর বয়সী টেনিস খেলোয়াড় রাধিকা যাদবকে ছোট থেকেই নিজেই খেলায় উৎসাহ দিতেন বাবা দীপক যাদব। ৫৭টি প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে ১৮টি সোনার পদক জিতেছিলেন রাধিকা। খুলেছিলেন নিজের প্রশিক্ষণকেন্দ্রও। কিন্তু হঠাৎ কী এমন হল, যে বৃহস্পতিবার নিজ কন্যাকে বন্দুক দিয়ে খুন করলেন দীপক? হাড় হিম করা এই খুনের ঘটনায় তদন্তকারীদের সামনে একাধিক কারণ উঠে আসছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, রাধিকা সমাজ মাধ্যম ইনস্টাগ্রামে রিল বানাতেন। যা পছন্দ ছিল না বাবা দীপকের। তিনি একাধিক বার মেয়েকে রিল বানানো বন্ধ করতে বলেছিলেন। কিন্তু রাধিকা বাবার কথায় কর্ণপাত করেননি বলে জেরায় জানিয়েছেন দীপক। এ ছাড়াও রাধিকা নিজে যে টেনিস প্রশিক্ষণকেন্দ্র খুলেছিলেন, তাতে রাজি হননি দীপক। প্রথমে আপত্তি না করলেও, পরে যখন সেটি ভাল ভাবে চলতে শুরু করে তখন তিনি এটিকে বন্ধ করে দেওয়ার কথা বলেন। দীপক যে কারণে আরও বেশি মেয়ের উপর অখুশি হতে শুরু করেন, সেটি হল আত্মীয় প্রতিবেশীরা তাঁকে খোঁটা দিত মেয়ের উপার্জনে সংসার চলছে বলে।
প্রসঙ্গত, রাধিকার জন্ম ২০০০ সালের ২৩ মার্চ। হরিয়ানার গুরুগ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। ইংরেজি মাধ্যম স্কুলে পড়াশোনা করেন এর পর ২০১৮ সালে বাণিজ্যবিভাগে দ্বাদশ শ্রেণী পাশ করেন। ছোটবেলা থেকেই টেনিস খেলার প্রতি উৎসাহ ছিল তাঁর। আর ছোট থেকেই মেয়ের আগ্রহকে গুরুত্ব দিতেন দীপক। তাঁকে টেনিস খেলোয়াড় হয়ে উঠতে পূর্ণ সহযোগিতা করেছেন তিনি। কিন্তু সেই মেয়েকে খুন করে দেওয়ায় একাধিক প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
