রাজনীতিতে শাসক বিরোধীর লড়াই দেখেছি। সেই ভাবেই অভ্যস্ত রাজনীতির ময়দান কিংবা রণক্ষেত্র। কিন্তু সম্প্রতি এই অঙ্গনে যে বিপত্তি দেখা যাচ্ছে, তাতে চিরাচরিত কলা-কৌশল যেন যুঝে ওঠা যাচ্ছে না। অর্থাৎ জলে চিনি কিংবা নুন মেশাতে মেশাতে হঠাৎ হাত পড়েছে কাঁকরে। যা না মেশে জলে, না তেলে। এর দ্রাব্যতা নিয়ে সততই ফাঁপরে পড়েছে অভিজ্ঞ দ্রবণ সংস্থা। মোদী-কেন্দ্রের হাল যেন এরকমই। তাদের কাছে ককরোচ বা আরশোলারা এরকমই এক অদ্রাব্য শক্তি, যাতে বিফলে পড়ছে চালক-যন্ত্র। যন্তর-মন্তরে সেই নাস্তানাবুদ অবস্থা আমরা দেখেছিলাম, বর্তমান জাতীয় রাজনীতিতে যেন তার পুনরাবৃত্তি ইংগিত। ইংগিত কেনইবা বলছি, ককরোচরা তো প্রকাশ্যে হুমকি দিয়েছে, জ্ঞানেশকে না সরালে আবার যন্তর-মন্তর হবে। পরিস্থিতি যেদিকে এগোচ্ছে তার ভবিষ্যৎ কী, তা এখনই বলা যাচ্ছে না ঠিকই, কিন্তু জাতীয় রাজনীতির আঁচে যেভাবে ঘৃতাহুতি শুরু হয়েছে তাতে না ফের কুরুক্ষেত্র বাঁধে ! কংগ্রেস বলতে চাইছে আঘাত পড়েছে সংবিধানের উপর। তাদের যুক্তি, গণতন্ত্রের রুক্ষাকচ যে সিন্দুকে সেখানেই ভেঙেছে কুলুপ। এই নিয়ে তাদের দামামা যত চড়ছে ততই থমথমে শাসকদল। এর মধ্যে বোমা ফাটিয়েছেন বিজেপির বর্ষীয়ান নেতা, একসময় পদ্ম সরকারের ডাকাবুকো মন্ত্রী যশবন্ত সিনহা। তিনি সাফ জানিয়েছেন, এই পরিস্থিতিতে হয় সরাতে হবে জ্ঞানেশকে, নতুবা সরতে হবে মোদীকে। কী অলুক্ষণে ভবিষ্যৎ বাণী।