Skip to content
এপ্রিল 24, 2026
  • Facebook
  • Instagram
  • YouTube
  • Linkedin
  • WhatsApp Channel
  • Google Play

Onkar Bangla

Primary Menu
  • কলকাতা
  • পশ্চিমবঙ্গ
    • উত্তরবঙ্গ
    • বর্ধমান
    • পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর
    • হাওড়া ও হুগলি
    • পুরুলিয়া বীরভূম বাঁকুড়া
    • উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা
    • নদিয়া মুর্শিদাবাদ
  • দেশ
  • বিদেশ
  • বাংলাদেশ
  • সম্পাদকের পাতা
    • এডিট
    • পোস্ট এডিট
    • বইপত্র
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফ স্টাইল
  • ভ্রমন
  • পাঁচফোড়ন
  • লাইভ
  • ভিডিও
  • যোগাযোগ করুন
  • Home
  • দেশ
  • ত্রিপুরার কুমারঘাটে দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে সংঘর্ষ, পরিস্থিতি উত্তেজনাপূর্ণ

ত্রিপুরার কুমারঘাটে দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে সংঘর্ষ, পরিস্থিতি উত্তেজনাপূর্ণ

Online Desk জানুয়ারি 11, 2026
Tripura.jpg

ওঙ্কার ডেস্ক : স্থানীয় মেলার চাঁদা সংগ্রহকে কেন্দ্র করে দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে সংঘর্ষের একদিন পর, রবিবার ত্রিপুরার উনাকোটি জেলার কুমারঘাট মহকুমায় পরিস্থিতি উত্তেজনাপূর্ণ। যদিও তা নিয়ন্ত্রণে বলে দাবি করেছে ত্রিপুরা পুলিশ। আগরতলার একজন ঊর্ধ্বতন পুলিশ আধিকারিক জানিয়েছেন, শনিবার পুলিশ উভয় সম্প্রদায়ের ১০ জনকে আটক করেছে।

তাঁরা আরও জানিয়েছেন, রবিবার পুলিশ ধৃতদের সাতজনকে গ্রেপ্তার করে স্থানীয় আদালতে হাজির করে পুলিশ হেফাজতের আবেদন করেছে। উত্তেজনা প্রবন এলাকায় আসাম রাইফেলস, ত্রিপুরা স্টেট রাইফেলস, সেন্ট্রাল রিজার্ভ পুলিশ ফোর্স এবং রাজ্য পুলিশের বিশাল বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। উনাকোটি জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রূপম চাকমা জানিয়েছেন, “ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নেতৃত্বে নিরাপত্তা বাহিনী নিয়মিত টহল দিচ্ছে এবং পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। শনিবার রাত থেকে নতুন করে কোনও ঘটনা ঘটেনি,”

তিনি বলেন, কেউ যদি কোনও গুজব বা ভুয়া ছবি ও ভিডিও ছড়ায়, তাহলে ব্যক্তি এবং গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আরেক পুলিশ আধিকারিক জানিয়েছেন, মিশ্র জনবহুল এলাকা এবং ধর্মীয় স্থানে অতিরিক্ত নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।

স্থানীয় মেলার চাঁদা সংগ্রহকে কেন্দ্র করে দুটি সম্প্রদায়ের মধ্যে সংঘর্ষের পর শনিবার উনাকোটি জেলার কুমারঘাট মহকুমায় নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। যেখানে কমপক্ষে পাঁচ থেকে ছয়জন আহত হন এবং বেশ কিছু ঘরবাড়ি ও সম্পত্তি পুড়ে যায়। সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে কুমারঘাট মহকুমা জুড়ে ৪৮ ঘণ্টার জন্য ইন্টারনেট পরিষেবাও স্থগিত রাখা হয়েছে।

জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে লেখা এক চিঠিতে উনাকোটি জেলার পুলিশ সুপার সকল ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রাখার অনুরোধ করেছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, সাম্প্রদায়িক হিংসার পর ফটিকরয় থানা এলাকায় হঠাৎ করে আইনশৃঙ্খলা ভেঙে পড়ে। ওই চিঠিতে এসপি জানিয়েছেন, “মিথ্যা বার্তা যাতে না ছড়ায় তাই সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে সকল ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রাখা জরুরি।”

পুলিশের মতে, শনিবার ফটিকরয় থানা এলাকার সাইদারপাড়ে একদল যুবক কাঠ বোঝাই গাড়ি থামিয়ে একটি সাম্প্রদায়িক মেলার জন্য চাঁদা দাবি করলে সংঘর্ষ শুরু হয়। শিমুলতলা এলাকার একটি সংখ্যালঘু পরিবার চাঁদা দিতে অস্বীকৃ হলে উত্তেজনা আরও বেড়ে যায়। এরপর একদল উচ্ছৃঙ্খল জনতা জড়ো হয়ে একটি কাঠের দোকান সহ কয়েকটি বাড়ি, যানবাহন এবং সম্পত্তিতে আগুন ধরিয়ে দেয় এবং একটি উপাসনালয় ভাঙচুর করে।

এই খবর মিশ্র জনতা অধ্যুষিত এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে পরিস্থিতির দ্রুত অবনতি ঘটে। অগ্নিসংযোগ, ভাঙচুর এবং উপাসনালয় সহ সম্পত্তির ক্ষতির ঘটনার পর, কুমারঘাটের সাব-ডিভিশনাল ম্যাজিস্ট্রেট উত্তেজনা রোধে ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতা ২০২৩ এর ১৬৩ ধারা জারি করেছেন। জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তমাল মজুমদার এবং অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে অতিরিক্ত বাহিনী নিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় ছুটে যান এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যালোচনা করেন। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সম্পর্কে পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা বিস্তারিত মূল্যায়ন করছেন। পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় আধাসামরিক বাহিনী পতাকা মিছিল করেছে, যদিও এলাকার কিছু অংশে এখনও উত্তেজনা বর্তমান। পরিস্থিতির উপর প্রখর নজর রেখেছে প্রশাসন। ত্রিপুরা প্রশাসন থেকে জনসাধারণকে শান্তি বজায় রাখতে এবং গুজব ছড়ানো থেকে বিরত থাকার আবেদন জানানো হয়েছে।

এদিকে, রাজ্য বিজেপি সভাপতি রাজীব ভট্টাচার্য, রাজ্য কংগ্রেস সভাপতি আশিস কুমার সাহা এবং বিরোধী দলনেতা এবং সিপিআই(এম)-এর রাজ্য সম্পাদক জিতেন্দ্র চৌধুরী পৃথকভাবে এই সহিংসতার নিন্দা করেছেন। একই সঙ্গে শান্তি বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন। রবিবার রাজ্যের প্রবীন কংগ্রেস নেতা এবং প্রাক্তন মন্ত্রী বীরজিৎ সিনহা, উনাকোটি জেলা কংগ্রেস সভাপতি মোঃ বদরুজ্জামানের সঙ্গে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করতে গিয়েছিলেন।

তবে, যখন তারা ক্ষতিগ্রস্ত সংখ্যালঘু পরিবারের সঙ্গে কথা বলার এবং ঘটনাস্থল পরিদর্শন করার চেষ্টা করেছিলেন, তখন পুলিশ প্রশাসন তাদের বাধা দেয় বলে অভিযোগ উঠেছে। এই পরিস্থিতিতে কংগ্রেস নেতারা দাবি করেছেন যে রবিবার ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সঙ্গে সংহতি জানাতে যাওয়ার সময় কর্তৃপক্ষ তাদের বাধা দিয়েছে। এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে, বীরজিৎ সিনহা। সংবাদমাধ্যমকে তিনি জানিয়েছেন, “যদি সহিংসতার শিকার সাধারণ নাগরিকদের সঙ্গে কথা বলাকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়, তাহলে রাজ্যে গণতন্ত্র নামক কিছুই অবশিষ্ট থাকে না। প্রশ্ন ওঠে যে প্রশাসন সত্যকে চাপা দিয়ে কার স্বার্থ রক্ষা করার চেষ্টা করছে।”

Post Views: 118

Continue Reading

Previous: আইপ্যাক অভিযানে কারা ছিলেন? পরিচয় জানতে ইডিকে চিঠি দিচ্ছে লালবাজার
Next: ইরানে আন্দোলন জারি রাখার ডাক রেজা পাহলভির;  আরও জোরালো প্রতিবাদের আহ্বান

সম্পর্কিত গল্প

raghv-chadda.png

সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে পদ্মশিবিরে রাঘব চাড্ডা; সঙ্গে নিয়ে গেলেন আরও ৬ আপ নেতা

Online Desk এপ্রিল 24, 2026
Untitled.png

চিন্নাস্বামীতে আরসিবি বনাম গুজরাট টাইটান্স, শেষ হাসি হাসবে কে?

Online Desk এপ্রিল 24, 2026
supreme-1280.jpg

‘ট্রাইবুনালে নাম নিষ্পত্তি নিয়ে অভিযোগ থাকলে হাইকোর্টে আবেদন করা যাবে’, জানাল সুপ্রিম কোর্ট

Online Desk এপ্রিল 24, 2026

You may have missed

ABHISHEK.jpeg

প্রথম দফায় ১০০-এর বেশি আসনে জিতছে তৃণমূল: অভিষেক

Online Desk এপ্রিল 24, 2026
MOJTABA-KHAMENEI.png

গুরতর আহতের জল্পনার মাঝেই ঐক্যের বার্তা মোজতবা খামেনেইয়ের, যুক্তরাষ্ট্রকে কড়া বার্তা

Online Desk এপ্রিল 24, 2026
raghv-chadda.png

সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে পদ্মশিবিরে রাঘব চাড্ডা; সঙ্গে নিয়ে গেলেন আরও ৬ আপ নেতা

Online Desk এপ্রিল 24, 2026
Untitled.png

ভোটের কাজে গাড়ি দিয়েও মিলছে না টাকা! ক্ষুব্ধ মালিকপক্ষ

Online Desk এপ্রিল 24, 2026
  • Get in Touch
  • Privacy Policy
  • Facebook
  • Instagram
  • YouTube
  • Linkedin
  • WhatsApp Channel
  • Google Play
Copyright © All rights reserved. | Designed and Maintained by UQ Labs.