ওঙ্কার ডেস্ক: একমাত্র নেশা মোবাইল অনলাইন গেম। যার ফলে প্রাণ দিতে হল একদল যুবককে। একটা শান্ত, ছিমছাম পরিবারের চেনা ছন্দ যে এভাবে মুহূর্তের মধ্যে এক ট্র্যাজেডিতে বদলে যেতে পারে, তা হয়তো ভাবতেও পারেননি প্রতিবেশীরা। নিজের ঘরে অনলাইন গেমে বুঁদ হয়ে থাকা ১৮ বছরের এক তরুণ আচমকাই ধারাল ছুরি দিয়ে নিজের বাবা, মা এবং দিদির ওপর চড়াও হয়। এলোপাথাড়ি ছুরির কোপে প্রাণ দিতে হল বাবা ও বোনকে। ঘটনাটি ঘটেছে কর্নাটকের কোপ্পাল জেলায়। অভিযুক্ত তরুণের নাম সাই নায়ডু (১৮)। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার দিন আচমকাই ক্ষিপ্ত হয়ে সাই একটি ধারাল ছুরি নিয়ে নিজের পরিবারের ওপর হামলা চালায়। সে একে একে নিজের বাবা ইয়াঙ্কান্না নায়ডু (৪৮), মা সৌজন্যা এবং দিদি প্রগতি (২০)-র শরীরে একের পর এক ছুরির কোপ বসাতে থাকে। পরে ওই তরুণ নিজের উপরও ছুরি চালিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করে বলে অভিযোগ। পুলিশ সূত্রের খবর, ভাইয়ের এই পৈশাচিক হামলায় দিদি প্রগতির শরীর এতটাই ক্ষতবিক্ষত হয়ে গিয়েছিল যে, ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তাঁর। চিৎকার ও কান্নার আওয়াজ শুনে ছুটে আসেন প্রতিবেশীরা। তাঁরাই পুলিশে খবর দেন এবং রক্তাক্ত অবস্থায় বাকিদের উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করেন।
পুলিশ সুত্রে খবর, ভাইয়ের এই পৈশাচিক হামলায় দিদি প্রগতির শরীর এতটাই ক্ষতবিক্ষত হয়ে গিয়েছিল যে, ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তাঁর। চিৎকার ও কান্নার আওয়াজ শুনে ছুটে আসেন প্রতিবেশীরা। তাঁরাই পুলিশে খবর দেন এবং রক্তাক্ত অবস্থায় বাকিদের উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করেন। অন্যদিকে, নিজের পেটে ছুরি চালানোয় অভিযুক্ত তরুণ সাই নায়ডুর আঘাতও বেশ গুরুতর। বেল্লারির বিআইএমএস হাসপাতালেই কড়া পুলিশি পাহারায় তার চিকিৎসা চলছে। কোপ্পাল জেলা পুলিশের একটি বিশেষ দল ইতিমধ্যেই হাসপাতালে পৌঁছে ওই তরুণের শারীরিক অবস্থার ওপর নজর রাখছে। সে সামান্য সুস্থ হতেই ঘটনার সূত্রপাত কীভাবে এবং কেন সে নিজের পরিবারকে এভাবে শেষ করে দিল, তা জানতে হাসপাতালের বেডেই তাকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ বা জেরা করা শুরু করেছেন তদন্তকারীরা।