ওঙ্কার ডেস্কঃ গত বছরের যুদ্ধের পর সামরিক ক্ষেত্রকে বাড়তি গুরুত্ব দিল কেন্দ্র। দেশের ইতিহাসে সামরিক খাতে সর্বোচ্চ বরাদ্দ করা হল ২০২৬ সালের বাজেটে। গত বছর সামরিক খাতে ৬.৮১ লক্ষ কোটি টাকা বরাদ্দ ছিল। এবছর সেটাই বাড়িয়ে করা হয়েছে ৭.৮৫ লক্ষ কোটি টাকা। সামরিক বাজেট এক বছরে ১৫ শতাংশ বাড়ল।
এই অর্থ অত্যাধুনিক অস্ত্রশস্ত্র, প্রযুক্তি ক্রয় ও সামরিক উৎপাদনের ক্ষেত্রে প্রতিরক্ষা তহবিলে জমা থাকে। মনে করা হচ্ছে, এই বিপুল বরাদ্দের জেরে ১১৪টি রাফালে বিমান এবং পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমান ক্রয়ের জন্য যে আলোচনা চলছে, তা নয়া মাত্রা পাবে। এর পাশাপাশি মেক ইন ইন্ডিয়ার মাধ্যমে স্বদেশী প্রতিরক্ষা উৎপাদন আরও বাড়ানোর দিকে জোর দেবে সরকার।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গত বছর সিঁদুর অভিযানের পরও মোদী সরকার প্রতিরক্ষা খাতকে আরও ঢেলে সাজাতে তৎপর হয়েছে। কেন্দ্রের যে স্পষ্ট মনোযোগ রয়েছে তা বাজেট বরাদ্দের মাধ্যমেই স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। কেন্দ্রের তরফে বলা হয়েছে, এই বাড়তি বরাদ্দের মূল লক্ষ্য হল সামরিক প্রস্তুতি জোরদার করা, সেনার অস্ত্রের আধুনিকীকরণ ও সেনাকর্মীদের জন্য নানা কল্যাণমূলক পদক্ষেপ নেওয়া।
উল্লেখ্য, বর্তমানে যুদ্ধে মেতে রয়েছে বিশ্বের বেশিরভাগ দেশ। পাকিস্তান ও চিনের সঙ্গে দীর্ঘ শত্রুতা রয়েছে ভারতের। সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশে ভারত বিরোধীতা বেড়েছে। গোটা পরিস্থিতিকে গুরুত্ব দিয়ে সামরিক খাতে শেষ কয়েক বছর ধরে লাগাতার বরাদ্দ বাড়িয়ে চলেছে সরকার।
