ওঙ্কার ডেস্ক: মঙ্গলবার রাতে উত্তরপ্রেদেশের মথুরা এলাকার একটি গ্রামের একই পরিবারের পাঁচ সদস্যের মৃত দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মৃতদের নাম, মণীষ কুমার (৩৫), তার স্ত্রী সীমা কুমার (৩২), এবং তাদের তিন সন্তান হানি (৮), প্রিয়ানশী (৫) এবং প্রতীক (৩)। মঙ্গলবার সকালে তাদের বাড়ি ভেঙ্গে দেহ উদ্ধার করে স্থানীয়রা। মণীষের ফোন থেকে তাদের মৃত্যুর আগের একটি ভিডিও উদ্ধার করা হয়েছে। যা থেকে পুলিশের অনুমান এটি আত্মহত্যা। তদন্তে চালাছে পুলিশ।
ঘটনাটি ঘটে মঙ্গলবার। সকাল থেকে কুমার পরিবারের কোনো সারাশব্দ না পেয়ে ব্যপারটি অস্বাভাবিক বলে হয়েছিল পরশি দের। সকালে বাচ্ছারাও না বেড়ালে সন্দেহ হয় তাদের। প্রথমে জানলা দিয়ে দেখার চেষ্টা করলেও তেমন কিছু দেখতে না পেয়ে বাড়ির দেওয়াল ভেঙ্গে পরিবারে পাঁচজনের মরদেহ উদ্ধার করে প্রতিবেশীরা। সঙ্গে ঘরের দেওয়ালে লেখা আত্মহত্যার স্বীকারোক্তিও দেখেন তাঁরা। পরে মথুরা থানার পুলিশ খবর দেওয়া হলে তাঁরা ঘটনাস্থলে এসে দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়।
পুলিশের প্রাথমিক অনুমান সোমবার রাতেই দুধের সঙ্গে বিষ মিশিয়ে প্রথমে বাড়ির সকলে খেয়েছিল। এবং তার প্রভাবেই বাড়ির সকলের মৃত্যু হয়েছে। কিন্তু ময়না তদন্তের পর জানা যায় পরিবারের তিন সন্তানের মৃত্যু শ্বাসরোধের কারণে হয়েছে এবং সীমা কুমারের মৃত্যু গলায় ফাঁস লাগার কারনে হয়েছে। অপরদিকে মণীষ কুমার বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়ে মারা গেছে বলে জানিয়েছে এসএসপি শ্লোক কুমার।
মণীষ কুমারের ফোন থেকে মৃত্যুর আগে একটি ভিডিও উদ্ধার করেছে পুলিশ। সেখানে মণীষ জানিয়েছে যে তাদের মৃত্যুর জন্য কেঊ দায়ী নর। তাঁরা প্রত্যেকে স্বেচ্ছায় মৃত্যুবরণ করেছে। মৃত্যর আসল কারণ সেই ভিডিওতে উল্লেখ করেনি মণীষ। পুলিশ তদন্ত করছে। কী কারণে তাঁরা এই সিধান্ত নিল কে বিষয়ে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
