ওঙ্কার ডেস্কঃ সিরিয়ায় আমেরিকার হামলা। পশ্চিম এশিয়ার মাটিতে ফের সক্রিয় হয়ে উঠল আমেরিকার সেনাবাহিনী। শুক্রবার রাতে ট্রাম্পের নির্দেশে সিরিয়ার আইএস জঙ্গিঘাটি নিশানা করে হামলা চালিয়েছে আমেরিকা। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, এটি প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপ এবং এতে সিরিয়া সরকারের পূর্ণ সমর্থন রয়েছে। আইসিস ঘাঁটিগুলি চিহ্নিত করে আকাশপথে গোলাবর্ষণ করা হয়েছে। হামলার পর ট্রাম্পের দাবি, তাঁদের অভিযান সফল। বহু জঙ্গি ঘাঁটি ধ্বংস হয়েছে। অনেক জঙ্গি নিহত হয়েছে।
কিন্তু কেন এই হামলা? গত সপ্তাহে সিরিয়ায় বেশ কয়েক জন আমেরিকানকে হত্যা করা হয়েছিল। মার্কিন মুলুকে দেহ পৌঁছোনোর পরেই প্রতিশোধের বার্তা দিয়েছিলেন ট্রাম্প। জানিয়েছিলেন, সিরিয়ায় উপস্থিত সকল খুনি জঙ্গিদের তিনি শায়েস্তা করবেন। শুক্রবারের হামলা সেই প্রতিশোধেরই অঙ্গ। মধ্য সিরিয়ার অন্তত ৭০টি জায়গা চিহ্নিত করে গোলাবর্ষণ করা হয়েছে।
সূত্রের খবর, সিরিয়ার হামলায় যুদ্ধের বার্তার জল্পনা মার্কিন প্রতিরক্ষাসচিব পিট হেগসেথ উড়িয়ে দিয়েছেন তিনি জানিয়েছেন, ‘এই অভিযানের নাম ‘অপারেশন হকআই স্ট্রাইক’। তবে এটা কোনও যুদ্ধের সূচনা নয়। এটা প্রতিশোধ। শত্রুদের নিশানা করে খতম করেছি। সিরিয়ায় আইএস জঙ্গি, তাদের পরিকাঠামো, অস্ত্রের ঘাঁটি ইত্যাদিকে নিশানা করা হয়েছিল।’
সিরিয়া সরকার জানিয়েছে, সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে তাদের লড়াই জারি রয়েছে। সিরিয়াকে জঙ্গিদের মুক্তাঞ্চল হতে দেওয়া হবে না। এই মুহূর্তে সিরিয়ায় ১০০০ মার্কিন সেনা রয়েছেন।
সিরিয়া হামলার পর বিশ্বের সকল প্রান্তের জঙ্গিদের উদ্দেশে ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি, ‘‘আমেরিকার কোন ক্ষতি করলে, আমেরিকার নাগরিকদের ক্ষতি করলে পরিণতি ভালো হবে না।”
