ওঙ্কার ডেস্ক : যত হলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট, তাঁর জীবনযাত্রাই হবে ধরাছোঁওয়ার বাইরে। তিনি কী এই আর পাঁচটা দেশের রাষ্ট্র প্রধানের মতো হবেন ? নিশ্চয়ই নয়। তাঁর ঠাটবাট, বিলাস আর দম্ভের সঙ্গে অন্যদের তুলনা নৈব নৈব চ। তাই তো, ভেঙে হেলা হচ্ছে মার্কিনিদের জাত্যভিমানের প্রতীক হোয়াইট হাউসের একাংশ। সেখানে তৈরি হবে ডোনাল্ড ট্রাম্পের বলরুম। এলাহি পরিকল্পনা। খরচও সেইরকম। ২০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, ভারতীয় মুদ্রায় যা ১৭,৫৯৫,৯৪৩,৬০০ টাকা।
মেজাজটাই তো আসল রাজা। সেই মেজাজের সঙ্গে বিলাসের আমঞ্জস্য থাকবে না তা কী করে হয় ! আপাতত যা নক্সা হয়েছে তাতে বলরুমের আয়তন ৯০,০০০ বর্গফুট। অর্থাৎ কলকাতায় থ্রি-রুম ফ্ল্যাটের যা জায়গা লাগে তার অন্তত ১০০ গুন বড়। সাড়ে ৬০০ অতিথি বসার জায়গা থাকছে। আর এই বলরুম নির্মাণের সময় সেখানে পিঁপড়ে গলারও সুযোগ নেই, গোটা এলাকা জুড়ে মোতায়েন থাকবে বিশাল মার্কিন সিক্রেট সার্ভিস।
ইতিমধ্যেই হোয়াইট হাউসের একাংশ ভেঙে ওই বলরুমের নির্মাণকাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। বহু দিন ধরেই বিশ্বের রাষ্ট্রীয় নেতাদের সমাবেশের জন্য একটি প্রমাণ আকৃতির বলরুম বানানোর কথা ভাবছিলেন ট্রাম্প। অবশেষে তা বাস্তবায়িত হতে চলেছে! সোমবার সোশ্যাল মিডিয়া ট্রুথ-এ ট্রাম্প লিখেছেন, ‘‘আমি আনন্দের সঙ্গে ঘোষণা করছি যে হোয়াইট হাউসে একটি নতুন, বড় এবং সুদৃশ্য বলরুম তৈরির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে। মূল হোয়াইট হাউস থেকে সম্পূর্ণ আলাদা ভাবে এটি তৈরি করা হচ্ছে। পাশাপাশি, হোয়াইট হাউসের পূর্ব শাখাটির সম্পূর্ণরূপে আধুনিকীকরণও করা হচ্ছে। কাজ শেষ হলে আগের চেয়ে আরও সুন্দর হয়ে উঠবে হোয়াইট হাউস!’’

ট্রাম্প জানিয়েছেন, এই স্বপ্ন তাঁর পূর্বসূরীদেরও। গত ১৫০ বছরেরও বেশি সময় ধরে প্রত্যেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট এই স্বপ্ন দেখে এসেছেন। তবে এই নির্মান নপ্রসঙ্গে ট্রাম্প বলেছেন, “এতে মার্কিনি করদাতাদের অর্থে হাত পড়বে না।” তবে এর খরচ কোন তহবিল থেকে আসবে তা জানা যায়নি। চলি বছরে ট্রাম্প হোয়াইট হাউসের কিছু সংস্কার করেছেন। যেমন- হোয়াইট হাউসের পাশে দু’টি ৮৮ ফুট লম্বা আমেরিকান পতাকাও স্থাপন তার মধ্যে পড়ে। যার এক একটির জন্য খরচ হয়েছিল ৫০ হাজার ডলার।
