ওঙ্কার ডেস্ক: সারা রাত যাবত প্রবল বৃষ্টিতে গোটা কলকাতা জলমগ্ন হয়ে পরেছিল। জমা জলে বিদ্যুৎ এর তার, ইলেক্ট্রিক পোষ্ট পরে থাকায় তাতে বিদ্যুতপিষ্ট হয়ে মারা গেছেন ১২ জন। মুখ্যমন্ত্রী কলকাতা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কর্পোরেশনের কাছে দাবি করেছিলেন যে মৃত ব্যক্তির পরিবারের একজনকে চাকরি দিতে হবে নাহলে পরিবারকে ৫ লক্ষ টাকা ক্ষতিপুরন হসাবে দিতে হবে এবং প্রত্যেক ব্যক্তির মৃত্যুর দায় নিতে হবে। শুক্রবার কলকাতা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কর্পোরেশন জানায় তারা মৃত ব্যাক্তির পরিবারকে ৫ লক্ষ টাকা করে দেবে।
সোমবার গভীর রাত থেকে মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত টানা বৃষ্টিতে কলকাতার একাধিক এলাকা জলমগ্ন হয়ে পড়ে। এতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ১২ জনের মৃত্যু ঘটে। মৃতদের পরিবারের জন্য রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে ২ লক্ষ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও মুখ্যমন্ত্রী -কে নির্দেশ দেন, মৃতদের পরিবারের একজনকে চাকরি দেওয়ার বন্দোবস্ত করতে। তিনি সতর্ক করে বলেন, “যদি কর্পোরেশন চাকরি না দেয়, তাহলে রাজ্য সরকার সেই দায়িত্ব নেবে।”
কলকাতা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ঘোষণা করা হয়েছে, যা মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে এসেছে। তবে এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত বিদ্যুৎ পরিকাঠামোর আধুনিকীকরণ ও জলমগ্ন এলাকার নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। মুখ্যমন্ত্রী সঞ্জীব গোয়েঙ্কার সঙ্গে আলোচনা করে সমস্যার স্থায়ী সমাধানের জন্য পদক্ষেপ নিতে বলেছেন।
ঘটনার পর কলকাতা হাইকোর্ট কলকাতা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কর্পোরেশন-কে রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে এবং রাজ্য সরকার ও কলকাতা পুরসভাকে জলমগ্নতা ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে। হাইকোর্টের পরবর্তী শুনানি ৭ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। ক্ষতিপূরণের এই ঘোষণার মধ্য দিয়ে শহরের জলমগ্ন পরিস্থিতিতে নিহতদের পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর একটি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
