ওঙ্কার ডেস্ক: বিধানসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় দফায় দুপুর ৩টে পর্যন্ত ভোট পড়ল ৭৮.৬৮ শতাংশ। কমিশনের দেওয়া তথ্য অনুসারে দুপুর ৩টে পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি ভোট পড়েছে পূর্ব বর্ধমান জেলায়। এই জেলায় ভোট পড়েছে ৮৩.১১ শতাংশ। তার পরেই রয়েছে হুগলি। এই জেলায় ভোট দানের হার ৮০.৭৭ শতাংশ। এ ছাড়া হাওড়াতে ভোট পড়েছে ৭৭.৭৩ শতাংশ, কলকাতা উত্তরে ভোট দানের হার ৭৮.০০ শতাংশ, কলকাতা দক্ষিণে ৭৫.৩৮ শতাংশ, নদিয়ায় ৭৯.৭৯ শতাংশ, উত্তর ২৪ পরগনায় ৭৭.৩৯ শতাংশ এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ৭৬.৭৫ শতাংশ।
বুধবার কলকাতার মিত্র ইন্সটিটিউশনে ভোট দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন তিনি বলেন, ‘তৃণমূলই জিতছে। সিআরপিএফ আমাদের লোকজনদের উপর অত্যাচার করেছে। কাল রাত থেকে কেন্দ্রীয় বাহিনী অত্যাচার করছে। এটা আদালত অবমাননা। আমার পাড়ার লোক, মেয়েদের মেরেছে। এটা কী ওদের ডিউটি? এটা ওরা করতে পারে না’ তৃণমূল সুপ্রিমো আরও দাবি করেন ‘বিজেপি হারছে, দুই তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা হবে তৃণমূলের।”
উল্লেখ্য, প্রথম দফায় ১৫২ আসনে সম্মিলিত ভাবে দুপুর ৩টে পর্যন্ত ভোট পড়েছিল ৭৮.৭৭ শতাংশ। দ্বিতীয় দফায় দুপুর ৩টে পর্যন্ত পড়া ভোটের হারের চেয়ে সামান্য বেশি। প্রসঙ্গত কেন্দ্রীয় বাহিনীর কড়া নজরদারিতে নির্বাচন হচ্ছে। প্রথম দফার ভোট মোটের নির্বিঘ্নে মিটলেও দ্বিতীয় দফা নিয়ে সতর্ক ছিল নির্বাচন কমিশন। বেশকিছু বুথে গোলমালের খবর মিললেও কোনও রক্তপাতের ঘটনা এখনও পর্যন্ত ঘটেনি। অনেকে আশা করছেন দ্বিতীয় অর্থাৎ শেষ দফা শান্তিপূর্ণ ভাবেই শেষ হতে চলেছে। আর এটা হলে বাংলার নির্বাচনী ইতিহাসে এক বিরল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে এ বারের নির্বাচন। কারণ গত ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর রাজ্য উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল ভোট পরবর্তী হিংসার ঘটনায়। এই নির্বাচনে কোনও রক্তপাত ছাড়াই নির্বাচন আয়োজন করাই চ্যালেঞ্জ ছিল কমিশনের কাছে।