ওঙ্কার ডেস্ক:- ২৯ এপ্রিল রাজ্যে চলছে দ্বিতীয় দফার গণদেবতার উৎসব। আর সেই উৎসবে এক চিলতে খামতি রাখতে চাইছে না নির্বাচন কমিশন। প্রথম দফার ভোট মোটামুটি ভাবে শান্তিপূর্ণ ভাবে হলেও দ্বিতীয় দফাতে দেখা মিলছে বিক্ষিপ্ত অশান্তি। তদরুপ, নির্বাচন কমিশবের তরফ থেকে আসা কেন্দ্রীয় বাহিনী তা কড়া হাতে দমন করছেন। তেমনই বেলা গড়াতেই এক অভিযোগ উঠল বেহালাতে। এবার কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে সরাসরি মারধরের অভিযোগ তুলল তৃণমূল কংগ্রেস। বেহালার ১২৭ নম্বর ওয়ার্ডের সরশুনা হাইস্কুলের কাছে বুথের বাইরে তৃণমূল কর্মীদের ওপর কেন্দ্রীয় বাহিনী চড়াও হয়েছে বলে অভিযোগ। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছন বেহালা পশ্চিমের তৃণমূল প্রার্থী রত্না চট্টোপাধ্যায়।
এই বিষয়ে রাজ্যের শাসক দলের দাবি, নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ মত ১০০ মিটারের মধ্যে দলীয় কর্মীরা ক্যাম্প করে বসেছিলেন। সবকিছু শান্তিপূর্ণ ভাবেই কাজ চলছিল। অভিযোগ, এরপরই আচমকা তাদের ওপর চড়াও হয় কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। এরপর তাদের কে ব্যপক ভাবে মারধরের অভিযোগ ওঠে। কর্মীদের ঘাড় ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দেওয়া হয় এবং বেশ কয়েকজনকে বেধড়ক মারধর করা হয়েছে বলেও দাবি করেছে শাসক শিবির। ঘটনার খবর চাউর হতেই গোটা এলাকা জুড়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। খবর পাওয়া মাত্রই সেখানে ছুটে যান রত্না চট্টোপাধ্যায়। তিনি দলীয় কর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং এই আচরণের কড়া প্রতিবাদ জানান। অপরদিকে দ্বিতীয় দফার ভোটের উত্তাপে এবার রণক্ষেত্রের চেহারা নিল খোদ মুখ্যমন্ত্রীর পাড়া কালীঘাট। কালীঘাট এলাকায় পৌঁছলে বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারীকে লক্ষ্য করে ‘চোর-চোর’ স্লোগান দিতে শুরু করেন তৃণমূল কর্মী-সমর্থকেরা। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছয় যে, বিক্ষোভের মুখে পড়ে বিজেপি প্রার্থীর কনভয় আটকে যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে শেষ পর্যন্ত লাঠিচার্জ করতে হয় কেন্দ্রীয় বাহিনীকে। বুধবার সকালে হাড়োয়া বিধানসভার দাসপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের কালিগাছি গ্রামে শাসক ও বিরোধী শিবিরের সংঘর্ষে রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় এলাকা। তবে এবারের বিশেষত্ব হল— দাপট দেখাতে গিয়ে উল্টে তাড়া খেলেন শাসকদলের কর্মীরাই।