নিজস্ব প্রতিনিধি : রাজ্যের শিশুসাথী প্রকল্পে নজর দিল রাজ্য। এই প্রকল্পে নতুন করে ৩০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হল। বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সোশাল মিডিয়ায় এই বাড়তি বরাদ্দের কথা জানিয়েছেন। ২০১৩ সাল থেকেই সামাজিক প্রকল্প হিসেবে ‘শিশুসাথী’ চালু করে রাজ্য সরকার। এই প্রকল্পের অধীনে সরকারি হাসপাতালে বিনামূল্যে শিশুদের নানা রোগের চিকিৎসা হয়। তবে দূরারোগ্য চিকিৎসা পাওয়া যেতো না এতদিন। এবার শিশুসাথী’র আওতায় শিশুদের দূরারোগ্য কিছু হৃদযন্ত্রের রোগের চিকিৎসা হবে সরকারি খরচে। সেই বাবদ ৩০০ কোটি টাকা নতুন করে বরাদ্দ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, ক্লেফট লিপ, প্ল্যালেট, ক্লাবফুটের মতো দূরারোগ্য ব্যাধির শিকার হয় সদ্যোজাত শিশুর একটা অংশ। এই রোগের চিকিৎসা বেশ ব্যয়বহুল। সরকারি তথ্য বলছে , অন্তত ৬৩ হাজারের বেশি শিশু এই সব রোগের শিকার। এবার এসব রোগের চিকিৎসা হবে একেবারে নিখরচায়। এর জন্য ৩০০ কোটি টাকা বরাদ্দ ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজ্যের প্রতিটি জেলায় ধীরে ধীরে গঠন করা হবে বিশেষ ‘শিশুসাথী ইউনিট’, যেখানে প্রশিক্ষিত চিকিৎসক দল শিশুদের জটিল রোগের চিকিৎসা করবেন। এই কেন্দ্রগুলিতে আধুনিক চিকিৎসা প্রযুক্তি ও শল্যচিকিৎসার সুবিধাও বাড়ানো হবে।
প্রসঙ্গত,নানা ধরনের অসুখ নিয়ে প্রতিদিন পৃথিবীর আলো দেখে বহু শিশু। কারও হৃদযন্ত্রের গুরুতর সমস্যা, কারও আবার অন্য কিছু। গোড়া থেকেই সেসব অসুখের চিকিৎসা না করলে তাদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তার মুখে পড়ে। অথই জলে পড়ে যান অভিভাবকরা। এবার বাড়তি বরাদ্দ্য স্বাভাবিক ভাবে খুশি অভিভাবকরা।
