ওঙ্কার ডেস্ক: ৯ মে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথগ্রহন করছেন নব নির্বাচিত শুভেন্দু অধিকারী। এদিন সকাল দশটা নাগাদ বিগ্রেড মঞ্চ থেকে পশ্চিমবঙ্গের নবম মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ গ্রহণ করেন তিনি। বিপুল আসনে জয়ী বিজেপির এই বং জয়ে শামিল হয়েছেন দেশের বিভিন্ন বিজেপি শাসিত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী, উপমুখ্যমন্ত্রীগণ। সঙ্গে কেন্দ্রের বহু বিশিষ্ট নেতৃত্বও নিজেদের সমর্থন জানাতে হাজির হয়েছেন বিগ্রেডে। সমস্ত নেতা মন্ত্রীদের উপস্থিতিতে রাজ্যে নব নির্বাচিত বিজেপি সরকারের মন্ত্রীরা শপথ গ্রহণ করবেন।
পশ্চিমবঙ্গের নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শুভেন্দু অধিকারীর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান ঘিরে গোটা রাজ্যের পাশাপাশি জাতীয় রাজনীতিতেও তীব্র আগ্রহের সৃষ্টি হয়। এই অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে কার্যত শক্তিপ্রদর্শনের মঞ্চ তৈরি করে বিজেপি। দেশের একাধিক বিজেপি শাসিত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী, কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার গুরুত্বপূর্ণ সদস্য এবং এনডিএ জোটের শীর্ষ নেতৃত্বের উপস্থিতিতে ব্রিগেডের মঞ্চ জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়।
সকাল থেকেই ব্রিগেড চত্বরে জনস্রোত চোখে পড়ার মতো ছিল। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিজেপি সমর্থকরা হাজির হন এই ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী থাকতে। দলীয় পতাকা, ব্যানার, স্লোগান এবং উচ্ছ্বাসে ভরে ওঠে গোটা এলাকা। অনুষ্ঠানস্থল ঘিরে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। কলকাতা পুলিশ, কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং বিশেষ নিরাপত্তা সংস্থার যৌথ তৎপরতায় বহুস্তরীয় নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়েছিল। ভিভিআইপি অতিথিদের উপস্থিতির কারণে গোটা শহরে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণেও বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
প্রধানমন্ত্রী, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, প্রতিরক্ষামন্ত্রী-সহ একাধিক কেন্দ্রীয় নেতা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। পাশাপাশি উত্তরপ্রদেশ, অসম, মধ্যপ্রদেশ, গুজরাট-সহ বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরাও এই শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দেন। বিজেপির কাছে এই আয়োজন শুধুমাত্র সরকার গঠনের আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং পশ্চিমবঙ্গে তাদের রাজনৈতিক উত্থানের প্রতীক হিসেবেও ধরা হচ্ছে। শুভেন্দু অধিকারী শপথ নেওয়ার পর রাজ্যের উন্নয়ন, প্রশাসনিক স্বচ্ছতা এবং নতুন কর্মসংস্থানের প্রতিশ্রুতি দেন। তাঁর বক্তব্যে পশ্চিমবঙ্গকে নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দেওয়ার অঙ্গীকার শোনা যায়। তিনি জানান, কেন্দ্র ও রাজ্যের সমন্বয়ে উন্নয়নমূলক প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়নের পথে এগোবে নতুন সরকার।