ওঙ্কার ডেস্ক: দ্বিতীয় দফা ভোটের আগে ফের অগ্নিগর্ভ জগদ্দল। মধ্যরাতে রণক্ষেত্রের চেহারা নিল জগদ্দল থানা চত্বর। থানার ভেতরেই খণ্ড যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েন তৃণমূল ও বিজেপি কর্মী সমর্থকরা। গোটা ঘটনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন এলাকার দৌর্দণ্ডপ্রতাপ নেতা অর্জুন সিং। পরিস্থিতি সামলাতে গিয়ে কার্যত হিমশিম খেতে হয় কেন্দ্রীয় বাহিনীকে।
বিজেপির অভিযোগ, শনিবার রাত দশটা নাগাদ জগদ্দল থানায় পৌঁছেছিলেন বিজেপি প্রার্থী রাজেশ কুমার। উদ্দেশ্য ছিল, মুখ্যমন্ত্রীর নামে করা একটি মামলার ফাইল কপি সংগ্রহ করা। রাজেশ যখন সেই আইনি কাজ সারছিলেন, তখনই আচমকা থানায় উপস্থিত হন স্থানীয় তৃণমূল কাউন্সিলর মনোজ পাণ্ডে ও তাঁর একদল অনুগামী। বিজেপির ওপর তৃণমূলের চড়াও হওয়ার অভিযোগ শুনে থানায় উপস্থিত হন বিজেপি নেতা অর্জুন সিং। থানার অন্দরেই একে অপরের সঙ্গে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন দুই দলের কর্মীরা। তৃণমূল কাউন্সিলর ও সমর্থকদের অর্জুন সিং ও তাঁর অনুগামীরা বেধড়ক মারধর করেন বলে অভিযোগ। পাল্টা প্রতিরোধ গড়ে তোলে ঘাসফুল শিবিরও।
এদিকে থানার নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যে দুই পক্ষের লড়াই দেখে হতবাক থানার ভেতরে কর্তব্যরত আধিকারিকরা। পরিস্থিতি এতটাই হাতের বাইরে চলে যায় যে, অতিরিক্ত পুলিশ বাহিনী নামিয়ে পরিস্থিতি সামাল দিতে হয় প্রশাসনকে। দু’পক্ষকেই থানা থেকে বের করে দেওয়ার চেষ্টা করে পুলিশ। এর মাঝেই অর্জুন সিং-র ছেলে পবন সিং-র বাড়ির সামনে বোমাবাজির ঘটনা ঘটে। তখনই গুলিবিদ্ধ হন ভাটপাড়ার বিদায়ী বিধায়কের নিরাপত্তারক্ষী এক কেন্দ্রীয় জওয়ান। বর্তমানে তিনি এক বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।