ওঙ্কার ডেস্ক: বারুইপুরে নাবালিকা ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় পাকড়াও করা হল মূল অভিযুক্ত আনন্দ সরদারকে। এই নিয়ে এই ঘটনায় ধৃতের সংখ্যা বেড়ে হল তিন। আর ও তিন জনকে আটক করেছে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য। মূল অভিযুক্ত পুলিশের জালে ধরা পড়লেও এখনও থমথমে বারুইপুর। কোনও ধরণের বিক্ষোভ ও জমায়েত নিয়ন্ত্রণ করতে বারুইপুর, সোনারপুর এবং নরেন্দ্রপুর থানা এলাকায় ১৬৩ ধারা জারি করেছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনার পর থেকে আনন্দ সরদারকে খুঁজছিলেন তদন্তকারীরা। সোমবার তাকে বারুইপুর এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। ইতিমধ্যে বারুইপুর কাণ্ডের তদন্তে রাজ্য পুলিশ ছয় সদস্যের বিশেষ তদন্তকারী দল বা সিট গঠন করেছে। রবিবার রাতভর তল্লাশি চালিয়ে গোয়েন্দারা অভিযুক্তদের সন্ধান করেছে। রবিবারই এক জনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। এর পর সোমবার সকালে আরও এক অভিযুক্তকে পাকড়াও করা হয়। বারুইপুরের ঘটনায় দোষীদের কড়া শাস্তি দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘পরিবার সরকারের কাছে যা যা চেয়েছেন, সেই কাজ সরকার করছে৷ পরিবার সরকার এবং পুলিশের কাছ থেকে যা যা চেয়েছেন তা তাঁরা পাবেন৷ মোট ৪ টি মামলা হয়েছে৷’
অন্য দিকে, ঘটনার কথা প্রকাশ্যে আসার পর তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে কথা বলেছেন। সোমবার মমতাপন্থী জোড়াফুল শিবিরের প্রতিনিধিদল বারুইপুরের উদ্দেশে রওনা দেয়। সেই দলে রয়েছেন প্রতিমা মণ্ডল, বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়, দোলা সেন, অনিতা কর। যদিও পুলিশের তরফে তাঁদেরকে গড়িয়ার কাছে আটকানো হয়। ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ১৬৩ নং ধারা জারি রয়েছে বলে তৃণমূলের প্রতিনিধিদলকে জানানো হয়। কিছুক্ষণ পর তাঁদেরকে ছেড়ে দেওয়া হয়, পরে আবার সোনারপুরে আটকানো হয়।