ওঙ্কার ডেস্কঃ অমিত শাহ বঙ্গে ঝটিকা সফরে এসেছিলেন বিজেপির চার্জশিট প্রকাশ করতে। রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তুলে ধরা হয়েছে সেই চার্জশিটে। কথা ছিল চার্জশিট প্রকাশের পর পদ্মশিবির নিজেদের সংকল্পপত্র প্রকাশ করবে। সেই মতোই এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহেই পশ্চিমবঙ্গের জন্য নির্বাচনী ‘সঙ্কল্পপত্র’ বা ইস্তাহার প্রকাশ করতে চলেছে বিজেপি।
বাংলায় বিজেপি সরকার গড়তে পারলে রাজ্যবাসীর জন্য কী কী করতে চায়, তা বিশদে ঘোষণা করা হবে ‘সঙ্কল্পপত্রে’। বিজেপি সূত্রের খবর, সাতটি মূল বিষয়কে অগ্রাধিকারের ক্ষেত্র হিসাবে সেখানে তুলে ধরা হচ্ছে। রাজ্যের ‘বেহাল’ আর্থিক অবস্থার সংস্কার থেকে কর্মসংস্থান, পরিকাঠামো বৃদ্ধি থেকে গ্রামীণ উন্নয়ন, শিল্প থেকে স্বাস্থ্য, শিক্ষা সব বিষয়েই নানান প্রতিশ্রুতি থাকবে বলে জানা যাচ্ছে।
প্রসঙ্গত, ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণার আগে ঐতিহাসিক সিংগুরের জমিতে সভা করতে এসেছিলেন মোদী। সাধারণ মানুষের আশা ছিল, সিঙ্গুরে শিল্প ফেরানো নিয়ে কিছু মন্তব্য করবেন মোদী। কিন্তু সেই সভা থেকে খালি হাতেই ফিরতে হয়েছিল মানুষকে। কারণ, শিল্প নিয়ে মোদী কিছুই বলেননি। সূত্রের খবর, ইস্তাহারে সিঙ্গুরের বিষয়েও স্পষ্ট ঘোষণা করার পথ নিতে পারে বিজেপি।
গেরুয়া শিবির সূত্রে খবর, বিজেপির ইস্তাহারে তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে বাংলার কংগ্রেস জমানাকে আক্রমণ করা হয়নি। আক্রমণ করা হয়েছে বাম এবং তৃণমূল জমানাকে। উচ্চশিক্ষার ‘ভয়াবহ ক্ষতি’র কথা ইস্তাহারে বর্ণনা করতে গিয়ে বাম জমানার ‘অতি রাজনৈতিকীকরণ’ এবং তৃণমূল জমানার ‘দুর্নীতি’র দিকে আঙুল তোলা হয়েছে। তবে তৃণমূল এবং বাম জমানার আগে যে কংগ্রেস জমানা ছিল, সে সময়ের দিকে যে বিজেপি খুব বেশি আঙুল তুলতে চায় না, তা কার্যত স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে।