ওঙ্কার ডেস্ক: ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পরাজিত হয়েছেন শুভেন্দু অধিকারীর কাছে। আর সেই কারণে নাকি চন্দ্রনাথকে খুন করা হয়েছে। এমনই দাবি করলেন নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুরের জয়ী বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি আরও বলেন, তাঁর আপ্ত সহায়ক হওয়ার কারণে চন্দ্রনাথকে টার্গেট করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বারাসত হাসপাতাল চত্বরে এসব কথা বলেন বিদায়ী বিরোধী দলনেতা।
এদিন শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘একটি নিষ্পাপ, শিক্ষিত, তরুণকে খুন করা হল কেবলমাত্র বিজেপির শুভেন্দু অধিকারীর আপ্তসহায়ক বলে। আর শুভেন্দু অধিকারী ভবানীপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারিয়েছে বলে।’ চন্দ্রকান্তের অপরাধের কোনও ইতিহাস নেই বলে জানান শুভেন্দু অধিকারী। সরাসরি রাজনীতির সঙ্গে ওই তরুণ যুক্ত ছিলেন না বলে জানান বিরোধী দলনেতা। যাঁরা চন্দ্রনাথের খুনের সঙ্গে জড়িত আইনি পথে তাঁদেরকে ফাঁশিতে ঝোলানোর আর্জি জানিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। এই হত্যাকাণ্ড তাঁর কাছে ব্যক্তিগত ক্ষতি বলে উল্লেখ করেছেন তিনি।
উল্লেখ্য, চন্দ্রনাথ রথের মৃতদেহের ময়নাতদন্ত ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। বারাসত হাসপাতাল থেকে দেহ শববাহী গাড়িতে করে নিয়ে যাওয়া হবে চন্দ্রনাথের দেহ চণ্ডীপুরে তাঁর বাড়িতে। তাঁকে শেষবারের মতো দেখতে ভিড় করেছেন বহু মানুষ। পরিস্থিতি সামলাতে মোতায়েন করা হয়েছে পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী। এই নৃশংস খুনের ঘটনার আমরা তীব্র ধিক্কার জানাচ্ছি। শুভেন্দু অধিকারীর আপ্ত সহায়ককে খুনের ঘটনায় দোষীদের শাস্তি চেয়েছেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার। তিনি এক বিবৃতিতে বৃহস্পতিবার বলেছেন, ‘আমরা রাজ্যের মাননীয় রাজ্যপাল এবং মুখ্যসচিবের কাছে দাবি জানাচ্ছি অবিলম্বে চন্দ্রনাথ রথের খুনের নিরপেক্ষ ও পূর্ণাঙ্গ তদন্তের ভার স্বাধীন বিচারবিভাগীয় সংস্থার হাতে তুলে দেওয়ার জন্য রাজ্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হোক।’