ওঙ্কার ডেস্ক: বাংলা পক্ষের প্রতিষ্ঠাতা গর্গ চট্টোপাধ্যায়কে চার দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিল আদালত। আগামী ১৬ মে পর্যন্ত তাঁকে পুলিশি হেফাজতে থাকতে হবে। বুধবার গর্গকে কলকাতার ব্যাঙ্কশাল আদালতে হাজির করানো হয়েছিল। সেখানে তাঁর বিরুদ্ধে তদন্তে অসহযোগিতার অভিযোগ তোলেন সরকার পক্ষের আইনজীবী। গর্গ সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। এর আগে বিধানসভা নির্বাচনের ঠিক আগে ইভিএম নিয়ে রীতিমত গুজব ছড়ানর অভিযোগে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশ ও আদালত সূত্রে খবর, গর্গের বিরুদ্ধে মূলত দুটি প্রধান অভিযোগ, ভোটগণনার সময় কেন ইভিএম খারাপ হচ্ছে, তা নিয়ে তিনি সমাজমাধ্যমে প্রশ্ন তুলেছিলেন। এ ছাড়াও ভোটারদের ভিভিপ্যাট ভালো করে দেখে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন। তদন্তকারীদের দাবি, এই মন্তব্যগুলি আদর্শ আচরণবিধি এবং সাইবার আইন লঙ্ঘনের শামিল। কলকাতা পুলিশের কমিশনার অজয় নন্দ জানিয়েছেন, গর্গের বিভিন্ন পোস্টে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে ভেদাভেদের উস্কানি ছিল, যা এই মামলায় যুক্ত করা হয়েছে।
বুধবার ব্যাঙ্কশাল আদালতে সরকার পক্ষের আইনজীবী দাবি করেন, গর্গকে দু’বার তলব করা হলেও তিনি হাজিরা দেননি এবং তদন্তে অসহযোগিতা করেছেন। যদিও এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন গর্গ এবং তাঁর আইনজীবী। গর্গের আইনজীবীর দাবি, গর্গ ১৪ মে হাজিরা দেবেন বলে পুলিশকে জানিয়েছিলেন। ইতিমধ্যেই তাঁর সমস্ত ডিজিটাল ডিভাইস বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে বলে আদালতে জানান তাঁর আইনজীবী। নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে গর্গের সমাজমাধ্যমের পোস্ট নিয়ে প্রথমে ময়দান থানায় অভিযোগ জানানো হয়। পরবর্তীতে মামলাটি কলকাতা পুলিশের সাইবার ক্রাইম বিভাগে স্থানান্তরিত হয় এবং মঙ্গলবার তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। আগামী ১৬ মে ফের তাঁকে আদালতে পেশ করা হবে।