ওঙ্কার ডেস্ক: বারুইপুর নাবালিকে ধর্ষণ কান্ডে এখনও পর্যন্ত দুই জনকে গ্রেফতার করেছ পুলিশ। রবিবার এক অভিযুক্তকে গ্রতেফতার করেছিল এবং বাকিদের খোঁজ চালাচ্ছিল বারুইপুর থানার পুলিশ। রবিবার ঘটনার সঙ্গে জড়ত থাকা এবং তদন্তের স্বার্থে আরও তিন জনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। রবিবার বিক্ষুব্ধ জনতার রোষে পড়ে নিহত হয় মূল অভিযুক্ত। বারুইপুর ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ধর্ষণ, পুলিশের উপর আক্রমণ এবং গণপিটুনির কারণে হত্যা এই তিনটি ধারায় মামলা রজ্জু হয়েছে।
প্রসঙ্গত, রবিবার বারুইপুর এলাকায় এক নাবালিকার নিথর দেহ উদ্ধার হয়। পরিবারের দাবি শনবার বিকেল থেকে নিখোঁজ ছিল সে। দেহ পাওয়া মাত্রই পরিবার দাবি করে তাঁকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে। খবর ছড়িয়ে পরতেই এলাকা জুড়ে চরম অশান্তির পরিবেশ তৈরি হয়। স্থানীয়রা নাবালিকার দেহ নিয়ে জাতীয় সড়ক অবরোধ করে। নামখানা স্টেশনে রেল লাইন আটকে রেখে বিক্ষোভ দেখায়। পরে পুলিশ অবস্থা পর্যবেক্ষনে এলে পুলিশের গাড়ি লক্ষ্য করে আক্রমণ করে বিক্ষোভকারী জনতা। গাড়ি উদ্দেশ্য করে ঢিল, পাথর ছোঁড়া হয় বলে দাবি। বিক্ষুব্ধ জনতার হাতে প্রাণ হারায় মূল অভিযুক্ত। এখনও পর্যন্ত গোটা ঘটনায় মোট দুই জনকে গ্রেফতার করেছে এবং তিন জনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাস করছে পুলিশ। গোটা ঘটনা তদন্তে গঠন কারুইপুর থানা।
রবিবার নাবালিকার দেহ উদ্ধার করে ময়ানাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। রাতেই ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ। রিপোর্ট এলে ধর্ষণ এবং মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে এবং তার ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা রজ্জু করা হবে বলে জানা গিয়েছে। বারুইপুর ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারি। তিনি রবিবারই নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন। তিনি নির্যাতিতা পরিবারকে ভবানিভবনে যাওয়ার কথা জনাইয়েছেন। তিনি পরিবারকে আশ্বস্ত করেছেন ঘটনার পুর্ন তদন্ত হবে এবং দোষীদের যথাযথ শাস্তি দেওয়া হবে।