ওঙ্কার ডেস্কঃ যুবসাথী প্রকল্পে ভিড় বাড়ছে। ফর্ম ফিলাপের লাইন ভিড়ে ভিড়ে ছয়লাপ। ভোট মুখী বাংলায় বোনেদের পর ভাইদের সঙ্গে চান বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। বাংলার এপ্রান্ত থেকে ও প্রান্ত, বিগত দুই দিন সর্বত্র এক ছবি।
বাংলার বিরোধী শিবির এই দীর্ঘ লাইনকে পশ্চিমবঙ্গের কর্সংস্থানের ‘করুণ ছবি’ হিসাবে দেখাতে চাইলেও তৃণমূল এই লাইনে ভোট বুথের প্রতিবিম্বই দেখছে বলে মত, রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের।
২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে লক্ষ্মীর ভান্ডারের মৌখিক প্রতিশ্রুতি দিয়েই খেলা জিতেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর ২০২৬ সালের নির্বাচনের আগে যুবসাথী কার্যকর করতে ময়দানে নেমেছে শাসক দল। সাধারণ ভাবে যুবসাথী পুরুষ-মহিলা সকলের জন্য হলেও লাইনে প্রথম দু’দিনে পুরুষের সংখ্যাই বেশি। বয়সের মানদণ্ড বলে দিচ্ছে, মূলত তরুণ প্রজন্মের জন্যই এই প্রকল্প।
সূত্রের খবর, যদি সরকারি কোনও ‘বৃত্তিমূলক’ ভাতা যেমন, ঐক্যশ্রী, স্বামী বিবেকানন্দ স্কলারশিপ, কন্যাশ্রী পান, তা হলে যুবসাথী ভাতা পাওয়ার আবেদন করা যাবে।
রাজ্য বাজেটেই যুবসাথী প্রকল্প ঘোষণা করা হয়েছিল। এই খাতে বরাদ্দ করা হয়েছে ৫,০০০ কোটি টাকা! সরকারের তরফে বলা হয়েছিল, মাধ্যমিক পাশ করা পশ্চিমবঙ্গের কর্মহীন যুবক, যুবতীরা এই প্রকল্পের আওতায় থাকছেন। বয়ঃসীমা ২১ থেকে ৪০ বছর। ভোটের আগেই এই প্রকল্প শুরু হবে। ১ এপ্রিল থেকে কার্যকর হবে। কিন্তু লাইন পড়েছে গত রবিবার থেকে।
ভোটের আগে এই প্রকল্পকে কটাক্ষ করেছে বিজেপি। পদ্মশিবিরের বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পালের কথায়, ‘‘ভাতার জন্য এই বিশাল লাইন দেখিয়ে দিচ্ছে, পশ্চিমবঙ্গকে কোন অবস্থায় নিয়ে গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী! ভাবলেও বাঙালি হিসাবে লজ্জা হচ্ছে।’’ সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তীর কথায়, ‘‘মুখ্যমন্ত্রী তো প্রায়ই বলেন, ডবল-ডবল চাকরি হয়েছে। ২ কোটি নাকি চাকরি দিয়েছেন উনি! যুবসাথীর লাইনে তা হলে কারা?’’
