ওঙ্কার ডেস্কঃ দিনহাটায় শ্মশানবাসী এক ব্যক্তির অস্বাভাবিক মৃত্যুর তদন্তে এক অভিযুক্তকে গ্রেফতার করল পুলিশ। পুলিশের সন্দেহ হাড় হিম করার জোগাড় করেছে নিঃসন্দেহে তা বলাই যায়। পুলিশ সূত্রে খবর, নরমাংস খাওয়ার জন্যই অভিযুক্ত ওই ব্যক্তিকে খুন করে থাকতে পারেন। খুনের পরে দেহটি বাড়ির পাশের একটি কলতলায় পরিষ্কার করেন বলেও জানতে পেরেছে পুলিশ। ধৃতকে জেরা করে আরও তথ্য সংগ্রহ করার চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ।
গত শনিবার দিনহাটার কুরসার হাটে একটি শ্মশান এলাকা থেকে উদ্ধার হয় এক অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির দেহ। মৃত ব্যক্তির দেহে আঘাতের চিহ্ন দেখে স্পষ্ট ধারণা করা গেছিল যে এটা খুন। পুলিশ তদন্ত এগোলেও ফাঁকা শুনশান জায়গা হওয়ায় কোনও সিসিটিভি ফুটেজ পাওয়াও সম্ভব হয়নি। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে পুলিশ জানতে পারে মৃত ব্যক্তি শ্মশানে থাকছিলেন বিগত একবছর ধরে। তিনি সম্ভবত মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন।
শেষে গোপন সূত্রে পুলিশ খবর পায় ফিরদৌস আলম নামে এক ব্যক্তি এই কান্ড ঘটিয়েছে। সেই সূত্র ধরে অভিযুক্তকে গ্রেফতারও করে পুলিশ। প্রাথমিক জেরায় অভিযুক্ত হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করেছেন বলে জানায় পুলিশ। দিনহাটার মহকুমা পুলিশ আধিকারিক ধীমান মিত্রের কথায়, “খুব নৃশংস ভাবে হত্যাটি করা হয়েছে। খুব বীভৎস হত্যা”। পুলিশ আরোও জানায়, এই হত্যাকাণ্ডটি ঘটানোর পিছনে তাঁর সে রকম কোনও উদ্দেশ্য ছিল না খুনির। খুন করার জন্য খুনটি করা হয়েছে। পরে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, একটি কলতলায় মৃতদেহটি পরিষ্কার করেন অভিযুক্ত। মৃতদেহটি খাওয়ার উদ্দেশ্য ছিল তাঁর। ক্যানিবলিজম এর কিছু বৈশিষ্ট্য এখানে পাওয়া যাচ্ছে। তদন্ত চলছে জোরকদমে।
পুলিশ সূত্রে খবর, অভিযুক্তের কথাবার্তা অত্যন্ত খাপছাড়া, অসংলগ্ন। তবে মানসিক ভারসাম্যের সমস্যার কোনও প্রামাণ্য নথি নেই। অভিযুক্তকে জেরা করে তদন্তের কিনারায় পৌঁছতে চাইছে পুলিশ।
