ওঙ্কার ডেস্ক: তৃণমূল সরকারের পতনের পর রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল পদ থেকে ইস্তফা দিলেন কিশোর দত্ত। মঙ্গলবার রাজ্যপাল আরএন রবির কাছে পদত্যাগ পত্র পাঠিয়েছেন তিনি। ২০২৩ সালের রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল কিশোর দত্ত ওই পদে ছিলেন। তাঁর পদত্যাগের পর ওই পদে কে বসবেন তা নতুন সরকার প্রস্তাব দেবে।
সাধারণত রাজ্য সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি অনুযায়ী কাজ করেন অ্যাডভোকেট জেনারেল। সরকারের নীতি এবং অবস্থান অনুযায়ী আদালতে সওয়াল করতে হয় এজিকে। তৃণমূল সরকারের যে মামলাগুলি আদালতে এখনও বিচারাধীন, সেগুলির ক্ষেত্রে নতুন বিজেপি সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন হতে পারে। এ ছাড়া নতুন সরকারের নতুন নীতি থাকে বিভিন্ন বিষয়ে। তাই সরকার বদলালে অ্যাডভোকেট জেনারেলরা পদত্যাগ করেন। তবে এটি কোনও বিধিবদ্ধ নিয়ম নয়। কী ভাবে নিয়োগ হয় এজি পদে? রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল কে হবেন, সে বিষয়ে রাজ্যপালের কাছে নামের তালিকা পাঠাতে হয় সরকারের। সেই সুপারিশের ভিত্তিতে রাজ্যপাল এজি নিয়োগ করেন।
উল্লেখ্য, কিশোর দত্তের আগে রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল ছিলেন সৌমেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়। ২০২৩ সালের নভেম্বর মাসে তিনি এজি পদ থেকে ইস্তফা দেন। তার পরেই কিশোর দত্তকে নিয়োগ করা হয়। পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে বিপুল ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছে বিজেপি। রাজ্যের ২৯৩ আসনের মধ্যে ২০৭টি আসন পেয়ে জয়ী হয়েছে পদ্ম শিবির। সরকার গঠন এখনও হয়নি। নতুন সরকার গঠনের পর রাজ্যপালের কাছে এজি হিসেবে নামের সুপারিশ করবে বিজেপি সরকার।