ওঙ্কার ডেস্ক: বাগুইহাটিতে তৃণমূলের পার্টি অফিস থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ধারালো অস্ত্র প্রচুর পরিমাণে ত্রাণ সামগ্রী থেকে শুরু করে এই ঘটনায় অভিযোগের তির রাজারহাট-গোপালপুরের তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাক্তন বিধায়ক অদিতি মুন্সি ও তাঁর স্বামী দেবরাজ চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে। আজ সকাল থেকে এই বিধানসভা এলাকার তৃণমূলের বিভিন্ন ওয়ার্ড অফিসগুলিতে ‘অভিযান’ চালায় বিজেপি বিধায়ক তরুণজ্যোতি তিওয়ারি। এই অফিসগুলির তালা ভেঙে সেখান থেকে উদ্ধার করা হয় প্রচুর ত্রাণ সামগ্রী, ধারালো অস্ত্র ও সাদা থান। জানা গিয়েছে, প্রথমে রাজারহাট-গোপালপুরের প্রাক্তন বিধায়ক অদিতি মুন্সির অফিস থেকে সাদা থান ও সরকারি ত্রাণসামগ্রী উদ্ধার করা হয়েছে। এরপর তৃণমূল নেতা দেবরাজ চক্রবর্তী-ঘনিষ্ঠ বিধাননগর ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ইন্দ্রনাথ বাগুইয়ের অফিস থেকে প্রচুর ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। পাশাপাশি সেখান থেকে প্রচুর বালতি, ত্রিপল ও সরকারি ত্রাণ সামগ্রী উদ্ধার করা হয়েছে। এই অস্ত্র ও সাদা থান উদ্ধারের ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। বিধায়কের অভিযোগ, বিজেপি কর্মীদের খুন করার জন্য এগুলি মজুত করে রাখা হয়েছিল। ঘটনার খবর জানাজানি হতেই গোটা এলাকা জুড়ে তুমুল উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। প্রাক্তন বিধায়কের অফিস-সহ তৃণমূলের ওয়ার্ড অফিসগুলি থেকে প্রচুর ত্রাণ সামগ্রীও উদ্ধার করা হয়েছে। এই সব ত্রাণ সামগ্রী থেকে সাধারণ মানুষকে বঞ্চিত করে রাখা হয়েছিল বলে অভিযোগ বিধায়ক তরুণজ্যোতি তিওয়ারির।
এই বিষয়ে বিজেপি বিধায়ক তরুণজ্যোতি বলেন, “আমাদের কার্যকর্তাদের মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়েছিল। বলা হয়েছিল, ৪ তারিখের পর কোপানো হবে। এই অস্ত্রগুলি আমাদের জন্য রেডি করে রাখা হয়েছিল। রাজ্যে বিজেপি ক্ষমতায় না এলে দলে কর্মীদের অবস্থা কী হত তা এই অস্ত্র দেখেই ধারণা করা যাচ্ছে। দলের কর্মীদের খুন করা হত। আমরা সংযত আছি।”