ওঙ্কার ডেস্ক : খসড়া তালিকায় বিভ্রান্তি। তালিকা প্রকাশের পর থেকে বাংলার বিভিন্ন জেলায় বিভ্রান্তি ছড়িয়েছে ভোটারদের মধ্যে। নিজের পরিচয় সরকারের খাতায় তুলতে কাল ঘাম ছুটে যাচ্ছে। বিভিন্ন জায়গা থেকে একাধিক অভিযোগ উঠে আসতে শুরু করেছে। কোথাও জীবিত ভোটারকে ‘মৃত’ বলে দেখানো হয়েছে। কোথাও ‘নিখোঁজ’ তালিকায় চলে গেছে ভোটারের নাম। কোথাও অন্যত্র চলে যাওয়া ভোটারকে ‘মৃত’ বলে দেখানো হয়েছে। খসড়ায় হাজারো ভুলে ধন্দে পড়েছেন বিএলও-রাও।
খসড়া তালিকা প্রকাশের দিন বিতর্কের প্রথম সূত্রপাত হয় হুগলির ডানকুনিতে। জীবিত তৃণমূল কাউন্সিলকে মৃত বানিয়ে দেওয়া হয়েছে। সিপিএমের তাবড় নেতা সেলিমের পদবি বদলেছে।
হুগলিরই চুঁচুড়া বিধানসভা কেন্দ্রের নলডাঙায় ১২০ নম্বর বুথের বাসিন্দা বৃদ্ধ দম্পতি স্নেহময় ও শিখা ভট্টাচার্যের বড় ছেলে দেবময় ভট্টাচার্যকে ‘মৃত’ বলে চিহ্নিত করা হয়েছে বলে অভিযোগ। অথচ সে এখন ঝাড়খণ্ডের বাসিন্দা। সেখানের ভোটার।
উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বাদুড়িয়ায় আবার একই বুথের সাত জন ভোটারকে ‘নিখোঁজ’ বলে দেখিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। কেন নিজেদের নাম খসড়া তালিকায় উঠল না, তা বুঝে উঠতে পারছেন না দুলাল মৃধা, ইয়ারুন বিবি, শিখা মণ্ডল বা মীরা চক্রবর্তীরা। তাঁদের দাবি, তাঁদের কাছে এনুমারেশন ফর্মের ‘রিসিভ কপি’ রয়েছে।
খসড়া তালিকায় ভুলত্রুটির অভিযোগের প্রেক্ষিতে ইতিমধ্যে কিছু ক্ষেত্রে পদক্ষেপ করেছে কমিশন। ডানকুনির তৃণমূল কাউন্সিলরের ঘটনায় মঙ্গলবারই জেলা নির্বাচনী আধিকারিকের কাছে রিপোর্ট তলব করেছিল রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের (সিইও) দফতর। সেই রিপোর্টের প্রেক্ষিতেই নিজের ভুল স্বীকার করে নিয়েছেন ওই বুথের বিএলও কুশ হাজরা। কিন্তু কেন এত শতসহস্র ভুল, প্রশ্ন উঠছে।
