ওঙ্কার ডেস্কঃ উত্তপ্ত বাংলাদেশে দীপু মৃত্যুর নৃশংসতা, ভয়াবহতা গোটা বিশ্বকে নাড়িয়ে দিয়েছে। আবারও বাংলাদেশের রাজবাড়ি জেলায় গণপিটুনিতে মৃত্যু হয়েছে এক হিন্দু যুবকের। বুধবার গভীর রাতে পাংশা উপজেলার হোসেনডাঙ্গা গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। মৃতের নাম অমৃত মণ্ডল। তবে মহম্মদ ইউনুসের অন্তর্বর্তী বাংলাদেশ সরকার এই ঘটনাকে দীপু দাস হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে মেলাতে দেয়নি। তাদের স্পষ্ট কথা – এটি সাম্প্রদায়িক হামলা নয়। যুবকের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের প্রমাণ রয়েছে।
কে এই অমৃত মণ্ডল? পুলিশের বক্তব্য অনুযায়ী, অমৃত মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরেই এলাকায় দুষ্কৃতীমূলক কর্মকাণ্ডে যুক্ত ছিলেন। তাঁর বিরুদ্ধে অন্তত দুটি মামলা ছিল, যার মধ্যে একটি খুনের মামলাও রয়েছে। জানা গিয়েছে, অমৃত নিজের নামেই একটি দল গড়ে তুলেছিলেন। যাদের বিরুদ্ধে ভয় দেখানো, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসমূলক কাজের একাধিক অভিযোগ রয়েছে। এই ঘটনায় অমৃতের ঘনিষ্ঠ সহযোগী মহম্মদ সেলিমকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
উত্তপ্ত বাংলাদেশে একের পর এক ঘটনা সামনে আসছে। অমৃত মন্ডলের মৃত্যুর দিনই আরেকটি ঘটনা সামনে এসেছে। ঢাকার একটি ফ্লাইওভারের নীচে চায়ের দোকানে বসে থাকা এক যুবকের দিকে বোমা ছোড়া হলে তিনি গুরুতর আহত হন এবং পরে তাঁর মৃত্যু হয়। মৃতের বয়স ২০ কিংবা ২২ বছরের মধ্যে। পদ্মাপাড়ে একের পর এক ঘটনার প্রেক্ষিতে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ বাড়ছে।
প্রসঙ্গত, সম্প্রতি ওসমান হাদির মৃত্যুর পর একাধিক এলাকায় অশান্তি ছড়ায়। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনুস জানিয়েছেন, এই সমস্ত ঘটনায় দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং ইতিমধ্যেই একাধিক গ্রেফতারি হয়েছে। বাংলাদেশের সরকার সুস্পষ্টভাবে এটাই জানাতে চাইছে, যে কোনও ধরনের আইনবহির্ভূত কর্মকাণ্ড, গণপিটুনি বা সহিংসতা সরকার কোনভাবেই সমর্থন করে না। তবে সমালোচকদের দাবি, বাংলাদেশের পরিস্থিতি অন্য কথা বলছে।
