ওঙ্কার ডেস্ক: চিফ অব ডিফেন্স ফোর্সেস পদে নিয়োগের পরেই প্রশাসনিক দায়িত্ব বুঝে একগুঁয়ে সুরে প্রথম ভাষণে নেমেছেন আসিম মুনির। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে, ইন্ডিয়া এবং আফগানিস্তান দু’ই দেশকে সতর্ক করে, পাকিস্তানের “আস্থা ও বিশ্বাসে বিশ্বাসী যোদ্ধা”রা যে প্রস্তুত, সেটি আড়াল রাখবে না। তার ভাষায়, পাকিস্তান কখনোই ভয় পায়নি, এবং যারা দেশকে আঁকড়ে ধরে রেখেছে, তারা ভবিষ্যতে যে কোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় প্রস্তুত। মুনিরের ভাষণে দাবি করে যে, পাকিস্তান একটি শান্তিপ্রিয় দেশ।
এদিন মুনিরের ভাষণে তিনি আভাস দিয়েছেন, পাকিস্তান তার সীমানা ও স্বার্থ রক্ষায় পিছিয়ে থাকবে না। একই সঙ্গে, তিনি উল্লেখ করেছেন, আভ্যন্তরীণ এবং আর্থ–সামাজিক সুশৃঙ্খলা বজায় রাখাটাও তার দায়িত্ব। সম্প্রতি দেশ অভ্যন্তরে নিরাপত্তার চ্যালেঞ্জ এবং আন্তর্জাতিক ফোকাসের মাঝে, এই ভাষণকে অনেকে শক্তি প্রদর্শন হিসেবে দেখছেন।
তবে তার এই কড়া ভাষণ বিশ্ববার্তা হিসেবে মিশ্র প্রতিক্রিয়া তৈরি করেছে। অভ্যন্তরীণভাবে, অনেক পাকিস্তানি বাসিন্দাই এই রূপকথাকে স্বাগত জানিয়েছে দেশপ্রেম ও নিরাপত্তা নিশ্চিতির প্রতিশ্রুতি হিসেবে। তারা মনে করে, এমন দৃঢ় নেতৃত্বই সময়ের দাবি, বিশেষ করে যখন আন্তর্জাতিক অস্থিরতা বাড়ছে। অন্যদিকে, প্রতিবেশী দেশগুলো এই বক্তব্যকে উস্কানিমূলক বলেও অভিহিত করছে। তারা আশঙ্কা করছেন, এমন ভাষণ সাম্প্রদায়িক এবং রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়াতে পারে।
আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, মুনিরর এই প্রথম ভাষণও পাকিস্তানের নিরাপত্তা নীতি এবং ভূ–রাজনৈতিক অবস্থান সম্পর্কে স্পষ্ট সংকেত। বিশেষ করে যখন আফগানিস্তানের পরিস্থিতি এবং মধ্যপ্রাচ্যে স্থিতিশীলতার প্রশ্ন আবার উঠে এসেছে।
ভারতীয় সেনা বাহিনীর উদ্যোগে পাকিস্তানী মদতপুষ্ট জঙ্গীগোষ্টীর উপর হামলা চালিয়েছিল। পরে ইসলামাবাদের অনুরোধেই যুদ্ধ বিরতিতে রাজি হয় নয়া দিল্লি। তারপরই নিজের ভাবমুর্তি অক্ষুন্ন রাখার জন্য পাকিস্তান দাবি করেছিল যে এ জয় পকিস্তানের। তখনই নিজেকে ফিল্ড মার্শাল পদে নিয়োগ করেন আসীম মুনির। তারপর থকেই একাধিকবার ভারতকে হুমকি দিয়ে গেছেন ইসলামাবাদ অফিশিয়ালসরা। এইসব হুমকিকে নয়া দিল্লি যে ভয় পায় না, এবং সামরিকভাবে প্রস্তুত তা আগেই ষ্পষ্ট করেছেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং।
