ওঙ্কার ডেস্কঃ রাম মন্দিরের গর্ভগৃহ এবং চত্বরের দানবাক্স থেকে কোটি কোটি টাকা এবং বহুমূল্য গয়না চুরির ঘটনায় নয়া মোড়। স্পেশাল ইনভেস্টিগেশন টিম জানতে পেরেছে, চুরির ঘটনার প্রমাণ লোপাট করতে মন্দিরের সিসিটিভি ফুটেজের সঙ্গে কারচুপি করা হয়েছে। ডিজিটাল এভিডেন্স এডিট করার এই সূত্র মেলায় তদন্তের গতিপ্রকৃতিতে বড়সড় বদল আসতে চলেছে বলেই মত তদন্তকারীদের।
স্বাভাবিকভাবেই সন্দেহের তির মন্দিরের ক্যামেরা নেটওয়ার্ক রক্ষণাবেক্ষণ ও নজরদারির দায়িত্বে থাকা কর্মীদের দিকে। সূত্রের খবর, মন্দিরের নজরদারি ব্যবস্থা, এযাবৎকাল রেকর্ড হওয়া সমস্ত ফুটেজ এবং সর্বোপরি নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কর্মীদের কার্যকলাপ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এই ঘটনায় মন্দিরের একজন গুরুত্বপূর্ণ কর্মী এবং এই বিতর্কের অন্যতম মাথা রামশঙ্কর যাদব ওরফে টিন্নু যাদবকে জেরা করেছেন তদন্তকারীরা। সিটের হাতে আসা নথি থেকে জানা গেছে, গত ১১ মাসে রাম মন্দির চত্বরের অভেদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রায় ১০ কোটি টাকা খরচ করা হয়েছে। ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা বলয় পেরিয়ে কীভাবে দানবাক্স থেকে সোনা-দানা ও নগদ টাকা উধাও হয়ে গেল, তা নিয়ে ট্রাস্টের অন্দরেও তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
তদন্তের পরিসর শুধুমাত্র নিরাপত্তাকর্মীদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখছেন না গোয়েন্দারা। মন্দিরের দানবাক্সে জমা পড়া টাকা ও সোনা গণনার পুরো প্রক্রিয়া এবং এর সঙ্গে যুক্ত ব্যাঙ্কের ভূমিকাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
সূত্রের খবর, এই জালিয়াতির রহস্যভেদে সিট ইতিমধ্যেই প্রায় ২০০ জনের একটি দীর্ঘ তালিকা তৈরি করেছে, যাদের পর্যায়ক্রমে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। এর মধ্যে ১২৫ জনেরও বেশি কর্মীকে ইতিমধ্যেই জেরা করা হয়ে গেছে। বয়ানের অসঙ্গতি মেলায় বেশ কয়েকজনকে দফায় দফায় ডেকে পাঠানো হচ্ছে।