ওঙ্কার ডেস্ক: আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে সাধারণ নির্বাচন। ওই দিন গণভোটও রয়েছে। দেশের সবচেয়ে বড় নির্বাচনের আর হাতে গুনে দু সপ্তাহও বাকি নেই। সেই আবহে বাংলাদেশের সংবিধান সংশোধন কমিশনের চেয়ারম্যানের মন্তব্যে নতুন করে জল্পনা ছড়াল। সাধারণ নির্বাচনের পরেও কি ক্ষমতা আঁকড়ে থেকে যেতে চান মহম্মদ ইউনুস? এই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
সংবিধান সংশোধন কমিশনের চেয়ারম্যান তথা জাতীয় ঐক্য কমিশনের ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক আলি রিয়াজ। সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, জাতীয় সংসদ গঠিত হওয়ার পর তাঁদের প্রথম কাজ হবে সংবিধান সংশোধন করা। সে কারণে নতুন সংসদ প্রথমে গণপরিষদ হিসেবে কাজ করবে। তিনি দাবি করেন, সংবিধান সংশোধনের কাজ করবে অন্তর্বর্তী সরকার। আর এই মন্তব্য ঘিরে শুরু হয়েছে বিতর্ক। নির্বাচনের পর কবে সরকার গঠন হবে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। যদিও সমস্ত জল্পনার অবসান ঘটিয়ে প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনুসের প্রেস উইং-এর তরফে দাবি করা হয়েছে, ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের পর যে দলই ক্ষমতায় আসুক, তারা সরকার গঠনের পাশাপাশি সংবিধান সংশোধনের কাজ শুরু করবে।
এদিকে বাংলাদেশে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন বয়কট করার হুঁশিয়ারি দিয়েছে সে দেশের সংখ্যালঘুদের সংগঠন। সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্নচিহ্ন তৈরি হওয়ায় বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ অভিযোগ করেছে, সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তার কোন নিশ্চয়তা নেই। এই পরিস্থিতিতে সংখ্যালঘুরা ভোট দিতে বুথে নাও যেতে পারেন। উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের ২৭ জানুয়ারি পর্যন্ত সাম্প্রদায়িক হিংসার ঘটনা ঘটেছে ৪২টি। যার মধ্যে খুনের ঘটনা রয়েছে ১১টি, ধর্ষণের ঘটনা একটি। মন্দির ও গির্জায় হামলা। রয়েছে লুটপাট ও জমি দখলের ঘটনা।
