ওঙ্কার ডেস্ক: বাংলাদেশের রংপুর শহরের কামালকাছনা এলাকায় সংখ্যালঘু হিন্দু পরিবারের চার জনকে খুনের ঘটনায় পুলিশের দাবি ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় যে দুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছ, তারা নির্দোষ বলে দাবি পরিবারের।
শনিবার গভীর রাতে গণপতি চক্রবর্তীর বাড়ি থেকে চার জনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। গণপতি চক্রবর্তী, তাঁর স্ত্রী, ছেলে ও মেয়েকে খুনের ঘটনায় পুলিশের দাবি, ঘটনার দুই দিন আগে তাঁদের হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। রবিবার দুপুরে সাংবাদিকদের রংপুরের পুলিশ সুপার বলেন, হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে দু’জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতরা মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ দাস। তাঁরা পরস্পরের আত্মীয়। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, দুজনের একজন স্থানীয় বাজারে মাছ বিক্রি করেন। অন্যজন একটি সোনার দোকানে কাজ করেন। যদিও তাঁদের পরিবারের সদস্যরা হত্যার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাঁদের দাবি, ওই দুই তরুণের আগে কোনও অপরাধের সঙ্গে যোগ থাকার ইতিহাস নেই। পুলিশের দাবি, ঘটনার সময় ওই দুই তরুণ গণপতি চক্রবর্তীর বাড়ির ছাদে মাদক সেবন করছিলেন। পায়ের শব্দ পেয়ে গণপতি ছাদে গেলে তাঁকে হত্যা করা হয়। এরপর তাঁর স্ত্রী, ছেলে ও মেয়েকেও হত্যা করা হয় বলে পুলিশের দাবি। চার জনকেই গলায় কাপড় পেঁচিয়ে হত্যা করা হয়েছে।
তবে পুলিশের এই ব্যাখ্যা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন নিহত পরিবারের আত্মীয়রা। তাঁদের বক্তব্য, দুই তরুণের পক্ষে একসঙ্গে চার জনকে হত্যা করা সম্ভব কিনা, তা তদন্ত করে দেখা দরকার। অভিযোগ, প্রকৃত ঘটনা আড়াল করতে নিরীহ দুই তরুণকে হত্যার ঘটনায় জড়ানো হতে পারে।