নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগণা : নাম ছিল আমির হামজা, হয়ে গেল সঞ্জয় মণ্ডল। পর পর দু’দিন তল্লাশি চালিয়ে বারুইপুর থেকে পাকড়াও বাংলাদেশি যুবক। রবিবার বারুইপুরের চম্পাহাটি সোল গোয়ালিয়া এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হল আমির হামজা ওরফে সঞ্জয় মণ্ডলকে।
সূত্রের খবর, বেআইনি পথে বাংলাদেশ থেকে ভারতে প্রবেশ করে আমির। তারপর বছরের পর বছর ধরে এ দেশেই গা ঢাকা দিয়ে বসবাস করে সে। তবে শেষ পর্যন্ত ভুয়ো পরিচয় নিয়ে এই বঙ্গে থাকার প্ল্যান ধোপে টিকল না তাঁর। পুলিশ সূত্রে খবর, ২০১৪ সালে বসিরহাট সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে প্রবেশ করে হামজা। এর পর দক্ষিণ ২৪ পরগনার চম্পাহাটি সোল গোয়ালিয়া এলাকায় বসবাস শুরু করে সে।
স্থানীয় এক বাসিন্দার সাহায্যে তৈরি করে ভুয়ো ভোটার কার্ড। সেখানেই নাম পরিবর্তন করে হামাজ হয় আমির। চালাকি করে ভুয়ো পরিচয়পত্র নিয়ে ১১ বছর ধরে হামাজ এই বাংলায় বসবাস করছিল। এদেশে তার পেশা ছিল চাষবাস। একই সঙ্গে সে বিভিন্ন দোকানে কাজ করত। এলাকাতেও হামাজ নিরীহ মানুষ হিসেবেই পরিচিত।
তদন্ত করে উঠে এসেছে বাংলাদেশের বাড়িতে রয়েছে আমিরের মা। নিয়মিত তাঁকে টাকা পাঠাত আমির। স্বাভাবিক ভাবে এই ঘটনার পর প্রশ্ন উঠছে, কী ভাবে কেউ ভুয়ো পরিচয় নিয়ে দিনের পর দিন প্রশাসনের চোখে ফাঁকি দিয়ে এই ভাবে কাটিয়ে দিতে পারে। আমিরের সঙ্গে কোনও বেআইনি কারবারের যোগ ছিল কি না তা তদন্ত শুরু করেছে বারুইপুর থানার পুলিশ। তার যোগাযোগের পরিধি ও অন্য কোনও বিদেশি কার্যকলাপে যুক্ত আছে কি না সেই বিষয়েও খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
