ওঙ্কার ডেস্কঃ আর জি কর কান্ডের এক বছর পার হওয়ার আগেই ধর্ষণ কান্ডের অভিযোগ উঠেছিল কসবা ল কলেজে। গত ২৫ জুন কসবা ল কলেজে গণধর্ষণের অভিযোগ ওঠে, তোলপাড় হয় গোটা কলকাতা। নির্যাতিতা অভিযোগ তোলেন, ঘটনার দিন কলেজের মূল দরজা বন্ধ করে সিকিউরিটি গার্ডের রুমে তাকে গণধর্ষণ করা হয় । শুধু গণধর্ষণ নয়, হকিস্টিক দিয়ে তাঁকে বেধড়ক মারধরও করা হয়। নির্যাতিতার মাথায় আঘাত লাগে। উল্লেখ্য, যে সময় এই ঘটনা ঘটে, সেই সময় কর্মরত ছিলেন এক নিরাপত্তারক্ষী। সব কিছু দেখেও চুপ ছিলেন তিনি । তখনই প্রশ্ন ওঠে তাঁর ভূমিকা নিয়ে। অভিযুক্তদের তালিকায় তাই নাম ওঠে তারও। নির্যাতিতার অভিযোগের ভিত্তিতে মূল অভিযুক্ত ও তাঁর সহকর্মীরা গ্রেফতার হন।ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়েছিল ৩ জনকে। তাদের মধ্যে ছিলেন ওই কলেজের ওই নিরাপত্তারক্ষীও।
তবে আজ ওই নিরাপত্তারক্ষীকে জামিন দিল আলিপুর আদালত। গ্রেফতারির ১০৭ দিনের মাথায় ২০ হাজার টাকার ব্যক্তিগত বন্ডে তাঁকে জামিন দিলেন বিচারক।
ওই নিরাপত্তারক্ষীর জামিনের আবেদন করেন তাঁর আইনজীবী দিব্যেন্দু ভট্টাচার্য। আইনজীবী জানান, তাঁর মক্কেল কোনও ভাবেই ওই ধর্ষণকাণ্ডের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত নন। নির্যাতিতা যে জবানবন্দি দিয়েছিলেন, সেখানেও ওই নিরাপত্তারক্ষীর সরাসরি ঘটনার সঙ্গে যুক্ত থাকার কোনও প্রমাণ মেলেনি। যদিও সরকারি আইনজীবী সেই যুক্তি মানতে নারাজ। তিনি পাল্টা যুক্তি দেন, ‘‘উনি ঘটনার কথা জানাতে পারতেন। অন্য কাউকে বিষয়টি জানিয়ে সতর্ক করতে পারতেন। কিন্তু তা তিনি করেননি।’’ যদিও সওয়াল-জবাব শেষে নিরাপত্তারক্ষীকে জামিন দেন বিচারক।