ওঙ্কার ডেস্কঃ পরিষদীয় দলের পর এবার তৃণমূলের সংসদীয় দলেও ভাঙনের ঘনঘটা। রাজ্যসভার সাংসদ পদে ইস্তফা দিলেন সুখেন্দুশেখর রায়। তৃণমূলের পদও ছাড়লেন তিনি। ইস্তফা দেওয়ার পর দলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দেন প্রাক্তন সাংসদ। তিনি বলেন, “দল যেভাবে চলা উচিত, চলেনি। মানুষ সরকারের প্রতি অনাস্থাজ্ঞাপন করেছে। মানুষ যখন অনাস্থাজ্ঞাপন করে তখন আমি বুঝতে পেরেছি দল জনমন থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে।”
সোমবার রাজ্যসভার চেয়ারম্যানের কাছে ইস্তফাপত্র জমা দেন তিনি। তাঁর মতে, দুর্নীতি শুরু হয়েছিল গত ২০১১ সালে। ডেলো পাহাড়ে চিটফান্ড কর্ণধারের বিতর্কিত বৈঠক প্রসঙ্গও তোলেন সুখেন্দুশেখর। তিনি বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি ১০-১৫ লক্ষ টাকায় বিক্রি হয়েছে। কেউ কেউ তাঁকে লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চির সঙ্গে তুলনা করছেন। ছবি কিনছেন চিটফান্ডের মালিকরা। দুর্নীতি তো শুরু তখন থেকেই। একটা সময় দুর্নীতি প্রাতিষ্ঠানিক চেহারা নিল।
আর জি করের তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ ও খুন প্রসঙ্গে একাধিকবার মুখ খুলেছেন সুখেন্দুশেখর রায়। দল থেকে ইস্তফা দিয়ে ফের আর জি কর প্রসঙ্গে কথা বলেছেন। তিনি জানান, “আর জি কর নিয়ে আমি আগেও প্রকাশ্যে মুখ খুলেছি। ধরনা দিয়েছি। আমার অপরাধ বলেছিলাম আরজিকর এবং পুলিশ আধিকারিকের বিরুদ্ধে তদন্ত হোক। যাঁরা অভিযুক্ত তাঁদের নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছে।
দলে ‘সৎ’ নেতারা কোণঠাসা ছিলেন বলেই আক্ষেপ তাঁর। বর্ষীয়ান রাজনীতিক বলেন, “নির্দিষ্ট কিছু লোক সারাক্ষণ নেতৃত্বের পাশে ঘোরাফেরা করছে। জনবিচ্ছিন্ন মানুষ যাঁদের অতীত নেই কোনও তাঁদের সঙ্গে নিয়ে ঘুরলে হয়তো কিছু রোজগার হতে পারে। কিন্তু রাজনীতি নয়।