স্পোর্টস রিপোর্টার : শনিবার থেকে শুরু হচ্ছে ১৩৫তম ডুরান্ড কাপ। এবার মোট ২৪টি দল প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছে। ২৩ অগাস্ট অবধি চলবে এই ডুরান্ড কাপ। এবার ডুরান্ডের ঐতিহ্যে ভাগ বসাতে পারেনি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্লাব ডায়মন্ড হারবার এফসি। প্রসঙ্গত, সমর্থকদের দুর্ভোগ থেকে বাঁচানোর জন্য অতীতে বহুবার এই ই-টিকিটের আবেদন করা হলেও তা কর্ণপাত করা হয়নি পূর্বতন সরকারের তরফে। তবে এবার ইন্দ্রনীল খাঁর ঘোষণায় বহুদিনের দাবি মিটল সমর্থকদের। ডুরান্ড কাপের ম্যাচ দেখতে গেলে আর দর্শকদের অনলাইনে কাটা টিকিট রিডিম করতে হবে না। অতীতে দর্শকরা অনলাইনে টিকিট কাটার পরেও মহমেডান মাঠ বা মোহনবাগান মাঠ থেকে ঘন্টার পর ঘন্টা জল-কাদার মধ্যে লাইনে দাঁড়িয়ে অনলাইন টিকিটের কিউআর কোড দেখিয়ে ফিজিক্যাল টিকিট সংগ্রহ করতে হত। সেই ফিজিক্যাল টিকিট দেখেই খেলা দেখতে ঢুকতে দেওয়া হত দর্শকদের। এবার সেই নিয়ম বদলে যাচ্ছে।
আগামী ডুরান্ড কাপের জন্য পেপারলেস টিকিটের নিয়ম চালু করল সরকার। বুধবার ডুরান্ড কাপের আনুষ্ঠানিক সাংবাদিক সম্মেলনে এসে জানান রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী ইন্দ্রনীল খাঁ। আসন্ন ডুরান্ড কাপে রাজ্য সরকারের ক্রীড়াদপ্তরের এটা বড় পদক্ষেপ।ক্রীড়ামন্ত্রী ইন্দ্রনীল খাঁ বলেন, ‘আমি শুনেছি প্রতিবার টিকিটিং নিয়ে সমস্যা হয়। তাই দায়িত্ব নেওয়ার পরের দিনই আমি ডুরান্ড কমিটির সঙ্গে বৈঠক করি। এবার পেপারলেস টিকিট হচ্ছে। আর স্ট্যাম্পিংয়ের জন্য ছোটাছুটি করতে হবে না। টিকিট নিয়ে সরাসরি খেলা দেখতে চলে যেতে পারবেন। আর স্ট্যাম্পিং করাতে হবে না।’
প্রত্যেকবার আর্মির থেকে কম টিকিট পাওয়ার অভিযোগ জানায় মোহনবাগান এবং ইস্টবেঙ্গল। যার ফলে বিপুল সংখ্যক সদস্য, সমর্থকরা ডার্বি দেখা দেখা বঞ্চিত হয়। গত দুই বছর ধরে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে ক্লাব প্রতি ৫০০০ টিকিট দেওয়া হয়। এবার সেই সংখ্যা ১০০ বেড়েছে। অর্থাৎ, ইস্ট-মোহনকে ৫১০০ করে টিকিট দেওয়া হবেশনিবার ডার্বি দিয়ে ডুরান্ড কাপের সূচনা হবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে হাজির থাকবেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ওপেনিং ম্যাচ, দুটো কোয়ার্টার ফাইনাল, একটা সেমিফাইনাল, ফাইনাল এবং গ্রুপের ম্যাচ মিলিয়ে মোট ১৬টি ম্যাচ কলকাতায় হবে। যুবভারতী এবং কিশোর ভারতী স্টেডিয়ামে খেলাগুলো হবে। ডুরান্ড কাপের পুরস্কারমূল্যে কোনও পরিবর্তন নেই। টুর্নামেন্টের ১৩৫ তম সংস্করণে মোট প্রাইজ মানি ৩ কোটি টাকা।